মাদারীপুর সদর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মিয়ারচর গ্রামে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে এক ডাকাত নিহত হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার মিয়ারচর গ্রামের সিকু মাতুব্বরের বাড়িত এ ঘটনা ঘটে।
এ ছাড়াও ডাকাতের হামলায় গৃহকর্তাসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয়রা জানায়, শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে সিকু মাতুব্বরের বাড়িত গ্রিল কেটে ৩০/৪০ জনের একদল ডাকাত ঘরে ঢুকে। এরপর ঘরের সবার হাত পা বেঁধে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। এ সময় বাড়ির লোকজন চিৎকার করলে এলাকাবাসী এসে ডাকাতদের ধাওয়া করে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের গণপিটুনিতে সেলিম খান (২৫) নামে এক ডাকাত ঘটনাস্থলেই মারা গেছে।
নিহত সেলিম চরলক্ষ্মীপুর গ্রামের গোলাপ খানের ছেলে। সে চাঞ্চল্যকর শাহাদাত হত্যা মামলার আসামি। ডাকাতদের হামলায় সিকু মাতুব্বরের ছেলে প্রবাসী আরবিস মাতুব্বর (৩০) ও তার মা আনোয়ারা বেগম, তার ভাই কামরুল, সোহাগসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত আরবিস মাতুব্বর বলেন, ‘রাতে আমরা ঘুমিয়েছিলাম। এ সময় ডাকাতরা আমাদের ঘরের গ্রিল কেটে আমাদের পরিবারের সবার হাত পা বেঁধে ঘরে থাকা ১৯ ভরি স্বর্ণ, নগট টাকাসহ বিভিন্ন মুল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। আমার মা ও আমি চিৎকার করলে ডাকাতরা আমাদের কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে। পরে এলাকাবাসী ধাওয়া করলে ডাকাতরা পালিয়ে যায়।’
মাদারীপুর সদর থানার ওসি জিয়াউর মোর্শেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত সেলিম পেশাদার ডাকাত। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এই ঘটনায় এক নারীকে আটক করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।
এএইচ





