যশোরে সন্ত্রাসী হামলায় আহত তরু নামে এক পরিবহন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। রাজধানীর বেসরকারি একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে তিনি মারা যান।

মৃতের ভগ্নিপতি শামিম জানান, গত ২০ অক্টোবর সন্ধ্যায় রামনগর তেলপাম্পের পাশে একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন তরু। এসময় ওই এলাকার সন্ত্রাসী রাশেদ, ইসমাইল ও আওয়ালসহ ৪/৫ জন তার ওপর হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা তরুকে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়।

গুরুতর অবস্থায় তরুকে উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানীয়রা ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার বেসরকারি একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে মারা যান তরু।

তরুর মৃত্যুর খবর যশোরে পৌঁছুলে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবহন শ্রমিকরা। মঙ্গলবার দুপুরে তারা শহরের মণিহার এলাকায় সড়ক অবরোধসহ সমাবেশ করে। সমাবেশে বক্তৃতা করেন ডালিম হোসেন, মিজানুর রহমান মিজু, নিতাই ড্রাইভার, মনো ড্রাইভার, রইচ ড্রাইভার, শামিম স্টার্টার, আবদুল খালেক প্রমুখ। সমাবেশ থেকে অবিলম্বে খুনিদের আটকের দাবি জানানো হয়।

পরিবহন শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ বেলা আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ কর্মকর্তারা অবিলম্বে খুনিদের আটকের আশ্বাস দিলে বিক্ষুব্ধরা তাদের অবরোধ তুলে নেয়।

কোতোয়ালি থানার ওসি ইনামুল হক দাবি করেন, তরুকে কোপানোর ব্যাপারে থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি।

জেআই