লক্ষ্মীপুরে পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গুলি বিনিময়ে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। তাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চন্দ্রগঞ্জ থানার দেওপাড়া ও লতিফপুর এলাকায় স্থানীয় জিসান বাহিনীর সঙ্গে পুলিশের এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
এর আগে দত্তপাড়া ও উত্তর জয়পুরের বিনোধপুর এলাকায় বুধবার গভীর রাতে পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের বন্দুকযুদ্ধ হয়। এ সময় দুই পুলিশসহ কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী খোরশেদ আলমকে গুলিবিদ্ধ ও জিসান বাহিনীর সহযোগী আবদুল আজিজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় একটি এলজি ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে গুরুতর আহত খোরশেদ আলমকে পুলিশ পাহারায় লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া আহত দুই পুলিশ সদস্যকে সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। অন্য আহতরা গ্রেপ্তার এড়াতে অন্যত্র চিকিৎসা নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, বুধবার গভীর রাতে সদর উপজেলার দত্তপাড়া এলাকায় পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী খোরশেদ আলমকে ধরতে ওই এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ।
এ সময় সন্ত্রাসীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। পরে পুলিশও পাল্টা ২০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে।
এ সময় দুই পুলিশসহ ৫ জন আহত হয়েছে। পরে ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি ও দুই রাউন্ড গুলিসহ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সন্ত্রাসী খোরশেদ আলমকে আটক করা হয়।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় খোরশেদকে পুলিশ পাহারায় সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। গ্রেপ্তারকৃত খোরশেদ আলম ও আবদুল আজিজের বিরুদ্ধে সদর থানাসহ বিভিন্ন থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি, অপহরণসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
জেএ





