রংপুরের গঙ্গাচড়ায় গত কয়েকদিনে প্রবল বর্ষণে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার পাইকান ও চিলাখাল এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিলীন হচ্ছে ঘর বাড়ি, জমি জমা, গাছপালা।
গত তিনদিনে ২০ পরিবারের বাড়ি-ঘর, জমি-জমা, গাছ-পালা তিস্তার ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকিতে পড়েছে মূল বাঁধসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ভাঙন কবলিত এলাকার কয়েক হাজার পরিবার। ওইসব এলাকায় মানুষের মাঝে আতংক বিরাজ করছে।
কোলকোন্দ ইউনিয়নের চিলাখাল এলাকার নুরুল হোদা, বিধবা ছকিনা, ইয়াছিন, রবিউল, রশিদ, জহুদ্দি, হাফিজুল, নজরুল, পাইকান হাজীপাড়া, পীরপাড়ার মর্তুজা, কিবরিয়া, মুকুল, আরফিন, গোলাম রসুল, জাহাঙ্গীর তোফাজ্জল, মন্তাজ, নজরুল আলম বাদশা, শাহজাদার বাড়ি ঘর তিস্তায় ভেঙে গেছে।
এছাড়া অনেকে বাড়ি ঘর সরিয়ে নিচ্ছে। চিলাখাল ও জুম্মাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাইকান ইউসুফিয়া মাদ্রাসা, সাউদপাড়া মাদ্রাসাসহ এতিমখানা, পোষ্ট অফিস, মসজিদ ও পীর সাহেবের মাজার শরীফ ৫/৭ ফুট ভাঙলে তিস্তায় চলে যাবে। মূল বাঁধ এলাকা ভেদে ৩শ' থেকে ৪শ' ফুট দূরে হুমকিতে আছে।
পীরপাড়া এলাকার কিবরিয়া, শাহজাদা ও গোলাম রসুল বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন রোধে ব্লক তৈরি করলেও তা ভাঙন রোধে ব্যবহার না করায় আমরা আজকে নিঃস্ব হলাম।
এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য ও চিলাখাল প্রাথমিক বিদ্যালয় কমিটির সভাপতি নুরল হোদা জানান, চিলাখাল রেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় মূল বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে।
ভাঙন রোধে এখনই ব্যবস্থা না নিলে স্কুলটি ঠিকানো যাবে না। এছাড়া বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় মূল বাঁধ হুমকিতে পড়েছে এবং ভাঙনের স্থান দিয়ে পানি প্রবেশ হলেই তলিয়ে যাবে কয়েক হাজার পরিবার।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ- সহকারী প্রকৌশলী শহিদুর রহমান ভাঙনের বিষয় স্বীকার করে বলেন, ভাঙন রোধে ইতিমধ্যে জিও ব্যাগে বালু ফেলানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এআর





