নিখোঁজের নয়দিন পর মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে গাইবান্ধা সদর উপজেলায় এক কিশোরীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গাইবান্ধা-নাকাইহাট সড়কের তিন গাছেরতল সংলগ্ন আয়ান মিয়ার ইটভাটার উত্তর কোনের টয়লেটের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত কিশোরীর নাম আঁখি আক্তার (১৬)। সে সদর উপজেলার দক্ষিণ ঘাগোয়া গ্রামের আক্কাছ আলীর মেয়ে ও স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী।

নিহতের বাবা আক্কাছ আলী জানান, তার মেয়ে ৫ ফেব্রুয়ারি সকালে জামাকাপড় কেনার জন্য গাইবান্ধা শহরে আসে। এরপর সে আর বাড়িতে ফেরেনি। এমনকি কোনো আত্মীয় স্বজনের বাড়িতেও খোঁজ করে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে তার গলাকাটা মরদেহ পাওয়া যায়।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘পাশের উত্তর ঘাগোয়া গ্রামের রশিদুল ইসলামের ছেলে তিতু দীর্ঘদিন ধরে আঁখিকে উত্যক্ত করে আসছিল। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় সে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তিতু এরই জের ধরে আঁখিকে অপহরণের পর হত্যা করেছে।’

গাইবান্ধা সদর থানার ওসি খান মো. শাহরিয়ার বলেন, ‘স্থানীয় লোকজন আঁখির গলাকাটা মরদেহ টয়লেটের মধ্যে দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিতু নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে।

জেড