নোয়াখালীতে পৃথক ঘটনায় দুজন নিহত এবং একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত জেলার সেনবাগ ও বেগমগঞ্জে এসব ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে বেগমগঞ্জ উপজেলার মিরওয়ারিশপুর ইউনিয়নে তালুয়াচাঁদপুর গ্রামে গাছের নিচে চাপা পড়ে এক স্কুলছাত্রী নিহত হয়। নিহত শারমিন আক্তার তিশি (৯) ওই ইউনিয়নের দ্বীন ইসলামের মেয়ে। সে মির্জানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

বেগমগঞ্জ থানার ওসি আইনুল হক জানান, খবর পেয়ে থানার এসআই নূর নবীর নেতৃত্বে পুলিশ পাঠানো হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়।

অপর দিকে সেনবাগ উপজেলায় নিখোঁজের এক মাস পর কেশাড়পাড় ইউনিয়নের কালারাইতা গ্রামের একটি পুকুর থেকে জোহুরা বেগম বেবী (২৯) নামের এক গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জোহুরা বেগম বেবী কালারাইতা গ্রামের খাজা মাঈন উদ্দিনের স্ত্রী। তিনি পার্শ্ববর্তী খাজুরিয়া গ্রামের ছায়েদুল হকের কন্যা। মুন্নি নামের সাত বছর বয়সি এক কন্যা সন্তানের মা ছিলেন জোহুরা বেগম বেবী।

মঙ্গলবার রাতে ওই গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত একটি পুকুর থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালীর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় সেনবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

একই দিনে সেনবাগ উপজেলায় এসবিএম ইটভাটায় মাটি চাপা পড়ে মো. মামুন (২৭) নামের এক শ্রমিক নিহত হন। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার কেশাড়পাড় ইউনিয়নের ইটবাড়িয়া গ্রামের ওই ইটভাটা থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত মামুন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার আন্ধার মানিক গ্রামের তরিক আলী মাঝির ছেলে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সেনবাগ থানার ওসি মোস্তফা কামাল জানান, জোহুরা বেগম বেবীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মঙ্গলবার দুপুরে নোয়াখালীর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে সঠিক কারণ জানা যাবে।

অপরদিকে মামুনের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হয়।

এএইচ