যশোরের শংকরপুর বাবলাতলা এলাকায় শনিবার ভোরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ অজ্ঞাত এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি দু’দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে এ বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে। নিহত ব্যক্তি নিজেও একজন মাদক ব্যবসায়ী।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে। তবে নিহতের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

যশোর কোতোয়ালি থানার উপ পরিদর্শক নূর-উন-নবী জানান, শনিবার ভোরে পুলিশ জানতে পারে শংকরপুর বাবলাতলা এলাকায় দু’দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ চলছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় মাদক ব্যবসায়ীর (বয়স আনুমানিক ৪৫) গুলিবিদ্ধ মরদেহ ও পরিত্যক্ত ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। মরদেহ উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহত ব্যক্তি ডাকাত ছিলেন। এ সময় তার কাছ থেকে ১টি এলজি, ১টি একনলা বন্দুক ও ৬টি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

বন্দুকযুদ্ধের সময় সুলতান ও জ্যোতি চাকমা নামে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর শেখ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ব্যক্তির নাম আনোয়ার হোসেন প্রকাশ ওরফে বলি আনোয়ার (৪০)। তিনি কক্সবাজারের রামু উপজেলার ঈদগড়ের কোনাপাড়ার আবু ছৈয়দের ছেলে। শুক্রবার রাত ২টার সময় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারীর ব্রিক ফিল্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, রাতে ব্রিক ফিল্ড এলাকায় কিছু ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। গোপন সংবাদ পেয়ে বাইশারী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ একেএম হাবিবুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সেখানে গেলে ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

এসময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্রসহ আনোয়ারের লাশ উদ্ধার করে।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি মো. আলমগীর শেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ব্রিকফিল্ড এলাকায় গেলে ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পরে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুঁড়লে আনোয়ার নিহত হয়। তবে কতজন ডাকাত সেখানে ছিল অন্ধকার থাকায় তা বোঝা যায়নি বলেও জানান তিনি।


জেড