২০৩০ সালের দিকে কারও কাছ থেকে বাংলাদেশ ঋণ নেবে না, ঋণ দেবে। আমরা সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। এক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
সবার সহযোগিতা পেলে এটি দুঃসাধ্য কোনও কাজ নয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
শনিবার (২৯ জুন) সংসদে অর্থবিলের ওপর বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়া, উত্তর কোরিয়া ও চীন একসময় খুবই দরিদ্র ছিল। তারা খাবার পেতো না। আজ তারা বিশ্বের শিল্প উন্নত দেশ।
তারা যদি পারে, আমরা কেন পারবো না। আমরা আশা করছি, ২০৩০ সালের দিকে কারও কাছ থেকে ঋণ নেবো না, ঋণ দেবো।
তিনি বলেন, “একটা দেশ এবং জাতির সঙ্গে অনেক মিল আছে। মানুষের জীবনে যেমনিভাবে সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, ঠিক তেমনিভাবে দেশের ক্ষেত্রেও সেটা সম্ভব হয়। দেশের ক্ষেত্রে সম্ভব হয় বলেই আমরা আমাদের এ বাজেটে টাইটেল রেখেছি- ‘সময় এবার আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’- এটা ইচ্ছাকৃতভাবে লেখা হয়েছে।”
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এখনও সুস্থ নই। আমি চেয়েছিলাম, মনের মাধুরী দিয়ে বাজেটটি তৈরি করবো। কিন্তু, তা পারিনি। তবে, বাজেটটি সহজপাঠ করেছি। করের হার না বাড়িয়ে, পরিমাণ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এবারের বাজেটটি শুধু একবছরের জন্যই নয়। এর থেকে আমরা ২০২৪ সাল পর্যন্ত অর্জন করতে পারবো। এ বাজেটটির কাঠামো দিয়ে আমরা ২০৪১ সাল পর্যন্ত চলতে পারবো। আমাদের পেছনে নিয়ে যাওয়ার কোনও শক্তি এখন আর নেই। আমরা সেভাবেই বাজেটটি করেছি।’
সকালে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হলে বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ও অর্থবিল-২০১৯ জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এরপর থেকে প্রস্তাবিত বাজেটের বেশকিছু বিষয় নিয়ে সংসদের ভেতরে ও বাইরে আলোচনা-সমালোচনা হয়।
এএস





