‘গণতন্ত্র রক্ষায় আমরা পৌর নির্বাচনে এসেছি। আমাদের ওপর যতই হামলা করা হোক না কেন ৩০ ডিসেম্বর ভোট গণনা পর্যন্ত আমরা নির্বাচনে থাকব’।
মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কুমিল্লার চান্দিনায় বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী শাহ্ মো. আলমগীর খানের পক্ষে গণসংযোগকালে সাবেক চিফ হুইপ ও বিএনপি জাতীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক জয়নুল আবেদীন ফারুক এসব কথা বলেন।
ফারুক বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম, পৌর নির্বাচন যেহেতু স্থানীয় নির্বাচন ওই নির্বাচনে আওয়ামীলীগ আমলের অন্যান্য নির্বাচন থেকে অনেকটা ভিন্ন হবে। জোর-জুলুম, মামলা-হামলা বা ভোট কারচুপির কোনো ঘটনা ঘটবে না। কিন্তু না! নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে সরকার দলীয় নেতা-কর্মী ও বাহিনীর তাণ্ডব ততই বৃদ্ধি পাচ্ছি’।
সাবেক এই চিফ হুইপ কয়েকটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা চান্দিনাতে আসার পর দলীয় কার্যালয়ে সভাকালে ককটেল হামলা হয়েছে। বরিশালে আলতাফ হোসেন চৌধুরীর গাড়িতে হামলা করা হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) আমার গণসংযোগে বাধা দেয়া হয়েছে। এসব ঘটনা আমরা নির্বাচন কমিশনকে জানানোর পরও তারা সেদিকে নজর দিচ্ছে না। আর ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন কতটুকু সুষ্ঠু হবে তা নিয়ে যথেষ্ট শঙ্কা রয়েছে’।
তিনি ভোটারদের হাতে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী এবং সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীর লিফলেট বিতরণ করেনএবং দলীয় প্রতীকে ভোট দেয়ার আহবান জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দিন ভূইয়া, মেয়রপ্রার্থী পৌর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক বর্তমান মেয়র শাহ্ মো. আলমগীর খানসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় জয়নুল আবেদীন ফারুক নেতা-কর্মীদের নিয়ে পৌরসভার গোবিন্দপুর, চান্দিয়ারা, বিশ্বাস, ছায়কোট এলাকা ঘুরে তুলাতলী এলাকায় গণসংযোগ করার সময় হামলা করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত বেশ কয়েকজন যুবক।
এমএইচ





