পবিত্র রমজান প্রায় শেষ। ঈদুল ফিতর দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে। ঈদ উপলক্ষ্যে রাজধানীকে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তার বলয়ে আবদ্ধ করতে ঢাকা মহানগর পুলিশ কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।
রমজান শুরু হওয়ার পর থেকেই রাজধানীতে ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং অপরাধ কর্মকাণ্ড আশংখাজনক হারে বেড়ে যায়।
তবে ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর প্রতিটি বিপণিবিতান, বাস, ট্রেন এবং লঞ্চ টার্মিনালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ডিএমপি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট সংখ্যক নিয়মিত সদস্যের পাশাপাশি অতিরিক্ত প্রায় ১৫ হাজার সদস্য যুক্ত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এর মধ্যে শুধু নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে ১০ হাজার পুলিশ সদস্য। ২ হাজার রযারেব এবং ২ হাজার গোয়েন্দা সদস্য।
আরও চার দিন আগ থেকে নদীপথ, লঞ্চঘাট ও ফেরিঘাটে শতাধিক নৌ-পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত দায়িত্বের পাশাপাশি এবার বড় অঙ্কের টাকা পরিবহনের ক্ষেত্রেও পুলিশ নিরাপত্তা দিচ্ছে।
ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান টাইমনিউজবিডিকে বলেন, রমজানের মাঝামাঝি থেকেই ঈদ উপলক্ষে বিশেষ নজরদারী গ্রহণ করা হয়েছে। রাজধানীর ৪৯টি পুলিশ স্টেশনে অপরাধ কর্মকাণ্ড জিরো টলারেন্সে নামিয়ে আনতে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের যাতে কোনো রকমের হয়রানির মধ্যে পড়তে না হয় সেজন্য রাজধানীর বিভিন্ন টার্মিনালে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বিপণিবিতান এবং মার্কেটগুলোয় ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা (সিসি) বসানো হয়েছে। এছাড়াও জরুরী পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে রাজধানীর বড় বড় বিপণিবিতানে মনিটরিং টিম মোতায়েন করা হয়েছে।
ঈদের নামাজে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় ঈদগাহে ডগ স্কোয়াড থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে সাদা পোশাকে পুলিশ টহল দিচ্ছে। রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৮টি জোনের পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা, জেইউ, ২৬ জুলাই, টাইমনিউজবিডি.কম, এসআর





