বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, ধর্মপ্রাণ জনতার ওপর পুলিশ ও সরকারি দল যুগপৎ হামলা করে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে রক্তাক্ত ও কলঙ্কিত করেছে।

রাজধানীতে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হাটহাজারী মাদরাসাসহ সারাদেশে বিক্ষুব্ধ ইসলামপ্রিয় জনতার ওপর নির্বিচারে হামলা ও কয়েকজন ছাত্র হত্যার প্রতিবাদ ও অবিলম্বে ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শনিবার বিক্ষোভ-পরবর্তী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

বিক্ষোভ মিছিলটি রামপুরা টেলিভিশন কেন্দ্রের সামনে থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি লস্কর মোহাম্মদ তসলিম, মাহফুজুর রহমান, নাজিম উদ্দীন মোল্লা ও ডা: ফখরুদ্দীন মানিক, ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য ইয়াছিন আরাফাত, মজলিস শূরা সদস্য মুহাম্মদ আতাউর রহমান সরকার ও কুতুব উদ্দীন প্রমুখ।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, তারা আধিপত্যবাদী শক্তির পদলেহন করে অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করতে চায়। কিন্তু গণতন্ত্রপ্রিয় তৌহিদী জনতা সরকারের সে ষড়যন্ত্র কখনো সফল হতে দেবে না। শহীদানের রক্তের পথ ধরেই এ সরকারের পতন হবে ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ ও সভাসমাবেশ করা জনগণের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু বর্তমান সরকার জনগণের সে সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশকে নতুন আঙ্গিকে বাকশালী রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। তারা জনগণের মৌলিক ও রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে এক ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। দেশে আইনের শাসন নেই। দেশের শান্তিপ্রিয় ও আত্মসচেতন মানুষ কোনোভাবেই চলমান এই অবস্থায় নির্লিপ্ত থাকতে পারে না।

তিনি সরকারের অগণতান্ত্রিক ও অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকার পতনের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান।প্রেস বিজ্ঞপ্তি