বেনাপোল স্থলবন্দরে বৃষ্টির পানি ঢুকে শেডে থাকা কোটি কোটি টাকার মালামাল নষ্ট হচ্ছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন আমদানিকারকরা। প্রায় এক যুগ আগে নির্মিত বন্দরের বেশিরভাগ শেডের পুরনো টিন দিয়ে পানি পড়ে। সামান্য বৃষ্টিতেই পানি ঢুকে পড়ছে শেডের মধ্যে।
বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত তিনদিনের অবিরাম বৃষ্টিতে বন্দরের ৯ নম্বর শেডের পাইপ ভেঙে পানি ঢুকে যায় ভেতরে। এতে ভারত থেকে আমদানি করা পাউডার ও ধান-পাটের বীজসহ অন্যান্য মূল্যবান মালামাল পানিতে ভিজে যায়।
বন্দরের শেড ইনচার্জ মনির হোসেন জানান, বেনাপোল বন্দরে বর্তমানে ৩৫টি শেড রয়েছে। কেমিক্যাল জাতীয় মালামাল রাখার জন্য আলাদা চারটি শেড রয়েছে। এসব শেডের বেশির ভাগেরই অবস্থা করুণ।
আরও জানা যায়, বেনাপোল স্থলবন্দরের পেছনে রয়েছে রেলপথ, সামনে যশোর-কলকাতা সড়ক। রেলপথের নিচ থেকে রয়েছে বন্দরের শেডের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা। দীর্ঘদিন বন্দরের প্রাচীরের পাশে ড্রেন পরিষ্কার না করায় তা ভরাট হয়ে পানি উপচে শেডের মধ্যে প্রবেশ করছে। বর্ষা মৌসুমে আমদানি করা বিভিন্ন কোম্পানির মেশিনারি বন্দরের খোলা আকাশের নিচে ফেলে রাখা হচ্ছে। এগুলো ত্রিপল দিয়ে না ঢাকায় বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হচ্ছে মালামাল।
একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মোকলেসুর রহমান জানান, ‘বৃষ্টির পানিতে আমাদের আমদানি করা বেশ কিছু পণ্য নষ্ট হয়েছে। বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহ সভাপতি নুরুজ্জামান বলেন, ‘বেনাপোল বন্দরের অধিকাংশ শেড জরাজীর্ণ। বন্দরের পরিচালককে বিষয়টি দ্রুত সমাধানে পদক্ষেপ নিতে বলেছি।’
বেনাপোল স্থলবন্দরর পরিচালক (ট্রাফিক) নিতাই চন্দ্র সেন জানান, ৯ নম্বর শেডে ড্রেনের পানি উপচে ভেতরে প্রবেশ করে বেশ কিছু পণ্য ভিজে গেছে। তিনি বলেন, ‘খুব শিগগির পুরাতন শেডের টিন দিয়ে পানি পড়া বন্ধ করা হবে।’
জেআই





