সাগরে প্রচুর ইলিশ ধরা পরলেও বিপদ সংকেত ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে মাছ শিকার করতে পারছেন না জেলেরা। কুয়াকাটাসহ উপকূলীয় এলাকার মাছ ধরার হাজার হাজার ট্রলার তীরে ফিরে এসেছে।
রোববার থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত এসব ট্রলার মৎস্য বন্দর আলীপুর-মহিপুরের শিববাড়িয়া নদীতে আশ্রয় নিয়েছে। তবে এখনও অসংখ্য ট্রলার বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে সমুদ্রে রয়েছে এমনটাই জানিয়েছেন তীরে ফিরে আসা জেলেরা।
যেসব মাছ ধরার ট্রলারের জেলেরা এই বিপদ সংকেত উপেক্ষা করে ঝুঁকি নিয়ে ইলিশ সন্ধানে সমুদ্রে রয়েছে তাদের স্বজনরা চিন্তিত হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, জেলেরা ৭/৮ দিন সমুদ্রে অবস্থানের প্রস্তুতি নিয়ে গভীর বঙ্গোপসাগরে ইলিশের সন্ধানে গিয়েছিল। হঠাৎ সমুদ্র উত্তাল হওয়ায় এবং আবহাওয়ায় ৩ নম্বর সর্তক সংকেত থাকায় মাছ শিকার না করে এসব জেলেরা শূন্য হাতে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছে। যার ফলে জ্বালানীসহ মৎস্য উপকরণে প্রতিটি ট্রলারে অন্তত ৫০ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হবে।
ভান্ডারিয়া থানার তুষখালী এলাকার এফবি রাকিব ট্ররারের জেলে সোহেল জানান, রোববার সকালে পাথরঘাটা মোহনা থেকে সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে বৈরী আবহাওার কারণে বিকালে মৎস্য বন্দর আলীপুরে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছে। এতে তাদের ট্রলারে বরফ, চাল ও জ্বালানিসহ প্রায় ৪০ হাজার টাকা লোকসান হয়েছে।
বরগুনার বড়ইতলা এলাকার জেলে সোবহান বলেন, সাগরে প্রচুর মাছ আছে কিন্তু সাগর উত্তাল থাকায় তীরে আসতে হয়েছে। আবহাওয়া ভাল হলেই ট্রলার ছেড়ে যাব।
কলাপাড়া উপজেলা মাঝি সমিতির সভাপতি নুরু মাঝি বলেন, এখনও গভীর সমুদ্রে প্রচুর মাছ ধরার ট্রলার সমুদ্রে রয়েছে। তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে যা সোমবার রাতে বা মঙ্গলবার উপকূলে ফিরতে সক্ষম হবে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দেশের ৪টি সমুদ্র বন্দকে ২ নম্বর নৌ হুশিয়ারী সংকেত ও স্থানীয় ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এ রকম অবস্থা আরো ২-৩ দিন অব্যাহত থাকতে পারে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পযর্ন্ত উপকূলীয় অঞ্চলের সমস্ত মাছ ধরা ট্রলারকে কিনারে থাকতে বলা হয়েছে।
এআর





