ভিডিও প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়। হামলার কারণ কী—এ নিয়ে প্রশ্নও ওঠে। পুলিশের বক্তব্যে এর একটি ব্যাখ্যা পাওয়া গেছে।

ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট অঞ্চলের সহকারী কমিশনার (এসি) নাজমুল আলম বলেন, নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটির সঙ্গে চাঁদাবাজির কোনো সম্পর্ক নেই এবং সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও হামলাকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল না।

হামলার সময় স্টুডিওর বিভিন্ন সরঞ্জাম, কক্ষের আসবাবসহ বেশ কিছু জিনিসপত্র ক্ষতিগ্রস্ত ও লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া স্টুডিওতে থাকা সিসি ক্যামেরা ও অন্যান্য যন্ত্রপাতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, প্রায় ৩৫ কাঠা জমির দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরী এবং নিউ গিনি প্রপার্টিজের মালিক নাজিম উদ্দিনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ওই বিরোধের জের ধরেই মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীর পক্ষের লোকজন নিউ গিনি প্রপার্টিজের এলাকায় প্রবেশ করে বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালান। এর মধ্যেই সালমান মুক্তাদিরের নির্মাণাধীন স্টুডিওও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এনএইচ