২৮-৩০ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় সাউথ এশিয়া ইকোনমিক সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লি যাচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

সোমবার দিল্লির উদ্দেশ্যে তিনি ঢাকা ত্যাগ করবেন।

বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই) আয়োজিত ‘সাউথ এশিয়া ইকোনমিক সম্মেলন’- এ সার্কভুক্ত দেশগুলোর বাণিজ্যমন্ত্রী, নীতিনির্ধারক, সরকারি কর্মকর্তা, শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী, বহুজাতিক কোম্পানির প্রতিনিধি এবং কূটনীতিকরা অংশগ্রহণ করবেন।

ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প প্রতিমন্ত্রী নির্মলা সিতারামের আমন্ত্রণে বাণিজ্যমন্ত্রী এ সম্মেলনে যোগ দেবেন বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য বিষয়- ‘এচিভিং ইনক্লুসিভ গ্রোথ থ্রো ডিপার ইকোনমিক ইনটিগ্রেশন।’ সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য হলো, সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক বাণিজ্য ও বিনিযোগ সম্প্রসারণ। এর ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধিসহ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক একীভূবন ত্বরান্বিত হবে।

সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর মিনিস্টিরিয়াল রাউন্ডে সার্কভুক্ত দেশগুলোর বাণিজ্যমন্ত্রীরা বক্তব্য রাখবেন। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ২৯ সেপ্টেম্বর সম্মেলনের প্লেনারি সেশন- ৪ এ ‘দি পাওয়ার অব ১.৬ বিলিয়ন : এ ব্লুপ্রিন্ট ফর পসপারিটি’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য রাখবেন।

সূত্র জানায়, এ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রীর যোগদানের ফলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য ফোরাম সাফটাতে বাংলাদেশের অবস্থান নির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। সম্মেলনে এ অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের মধ্যে শক্তিশালী বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক স্থাপনেও সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি ভারতের একটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্য সংগঠন। যারা সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও মতবিনিময়ের একটি প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্পর্ক অত্যন্ত পুরনো এবং সাম্প্রতিক সময়ে তা সুদৃঢ় হয়েছে। এ ধরনের সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের বাণিজ্য আরো সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দিল্লি সফরকালে বাণিজ্যমন্ত্রী ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। মন্ত্রী ৩০ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরবেন।

কেএইচ