আগের চার ধাপের মতোই সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা ও নানা অভিযোগের মধ্যে শনিবার ৭২০ ইউপিতে তৃণমূলের পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এরইমধ্যে নির্বাচনী এলাকায় টহল শুরু করেছেন।
প্রার্থীদের প্রচার শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে; শুক্রবার ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে দিচ্ছেন ব্যালট পেপার, বাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম।
শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট চলবে। তিন হাজারের বেশি চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং সাধারণ ও সংরক্ষিত সদস্য পদে প্রায় ৩০ হাজার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এ অনুষ্ঠানে।
ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে গত সাড়ে তিন মাসে নির্বাচনী সহিংসতায় আশি জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। সংঘর্ষ-হামলার ঘটনা ঘটছে প্রায় প্রতিদিনই।
নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ বলেন, 'ভোটের দিন যত এগিয়ে আসে ততই গোলযোগের প্রবণতা বেড়ে যায়। কিছু কিছু অভিযোগও এসেছে আমাদের কাছে। সব বিষয়ে সজাগ রয়েছি আমরা। কেউ যেন প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, গোলযোগের চেষ্টা না করে এবং দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে যাতে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয়- সে বিষয়ে মাঠ কর্মকর্তাদেরও নির্দেশ দিয়েছি।'
ভোটের সব ধরনের প্রস্তুতি গুছিয়ে আনা হয়েছে জানিয়ে আগের চার ধাপের তুলনায় সুন্দর ভোটের প্রত্যাশার কথা জানান এই নির্বাচন কমিশনার।
পঞ্চম ধাপে ৪৪ জেলার ৮৬ উপজেলার ৭২০ ইউপিতে নির্বাচন হবে। এতে এক কোটি ১০ লাখের বেশি ভোটার রয়েছে। সাত হাজারের বেশি ভোট কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা হবে ভোট চলবে। চেয়ারম্যান পদে ৩ হাজার ২৫৪ জন, সাধারণ সদস্য পদে ২৭ হাজারের বেশি ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ৭ হাজারের বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ৪২ জন ইতোমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে।এক লাখের বেশি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দেড় লাখের মতো সদস্য নিয়োজিত থাকছে ভোটের দায়িত্বে।
এর আগে ২২ মার্চ, ৩১ মার্চ, ২৩ এপ্রিল ও ৭ মে বিক্ষিপ্ত গোলাযোগ আর অনিয়মের অভিযোগের মধ্য দিয়ে চারটি ধাপের ভোট হয়।
এমআর





