রংপুর বিভাগে গত চারমাসে ২২ জন শিশু ধর্ষিত হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জনকে হত্যা করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় জড়িতরা প্রায় সবাই শিশু, যাদের ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশের রংপুর রেঞ্জের উপ মহাপরিদর্শকের (ডিআইজি) কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্রে জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি মে মাস পর্যন্ত চারমাসে রংপুর বিভাগের আট জেলায় ২২ শিশু ধর্ষিত হয়েছে। এদের মধ্যে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৬ শিশুকে।

আটটি ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে ৬জন। ধর্ষকদের বয়স ১৫-১৮ বছর। সূত্রমতে, ২৪ মে ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ গ্রামে ১৭ বছরের শিশু আসমাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

১৯ মে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের পূর্বঘোগারকুটি গ্রামের আমীর হোসেনের ছেলে রবিউল ইসলাম (১৮) প্রতিবেশী রফিকুল ইসলামের মেয়ে পারভীন আক্তারকে (১৫) ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে।

১৫ মে রাতে লালমনিরহাট পৌর এলাকায় অজ্ঞাত এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

৮ মে একই জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার মোস্তাজি পাড়ার জলিলুর মোস্তাজির মেয়ে রিনা আক্তারকে (১৩) ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

১৪ মে রংপুরের গঙ্গাচড়ার তালপট্টির নরশিং গ্রামের দিনমজুর আইয়ুব আলীর তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে শাহিনা খাতুনকে (১১) ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যা করে একই গ্রামের সামছুল আলমের ছেলে আবুজার রহমান (১৭)। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে।

আবুজারের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দির উদ্ধৃতি দিয়ে গঙ্গাচড়া থানার ওসি আবদুল মান্নান জানান, নিজের মুঠোফোনে ডাউনলোড করা অশ্লিল ছবি দেখে যৌন লিপ্সার প্রতি আকৃষ্ট হয় সে। পরে শাহিনাকে ধর্ষণ ও গলাকেটে হত্যা করে।

এমকে