অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, দাতাদেশগুলো স্বল্পন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারেনি। এক্ষেত্রে তারা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।
মঙ্গলবার হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশ সরকার ও ইউএন এসকেফ (ইউনাইটেড ন্যাশনস ইকোনোমিক এন্ড সোশাল কমিশন ফর এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক) আয়োজিত ‘এশিয়প্যাসিফিক অঞ্চলে অর্থনৈতিক সাবলম্বিতায় দুর্বলতা’ শীর্ষক তিন দিন ব্যাপী সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বায়নের প্রক্রিয়ায় স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অনেক ভালো করছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক দাতা দেশগুলো সে অনুযায়ী আমাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করছে না। বাংলাদেশকে যে ধরনের সহযোগীতা করা দরকার তা তারা করছে না। যা খুবই দুঃখজনক।
স্বল্পোন্নত দেশের কাতার থেকে বের হয়ে আসতে হলে বাংলাদেশকে সম্পদের যথাযথ ব্যবহার, দেশের আভ্যন্তরীণ সম্পদের উন্নয়ন তরান্বিত করা, দারিদ্র বিমোচন, প্রযুক্তিগতউন্নয়ন এবং মানবসম্পদের উন্নয়ন এই ৫টি চ্যালেঞ্চ মোকাবিলা করতে হবে বলে জানান তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ অনেক উদ্যোগ নিয়েছে। এখন সময় হয়েছে সেগুলো কতটা কাজ করছে তা খতিয়ে দেখার।
তবে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি বাংলাদেশের অনেক অর্জনকে বিনষ্ট করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
আগামী ২০২০ সালের মধ্যে স্বল্পোন্নত ৪৮টি দেশের মধ্য থেকে ১৫ শতাংশ দেশ উন্নত দেশের কাতারে চলে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এ সময় তিনি বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত করতে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য উন্নত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।
সেমিনারে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, স্বল্পোন্নত দেশগুলোর আন্তর্জাতিক বাজার প্রসার, বিনিয়োগ বড়ানো, স্বক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে বেশি মনোযোগ দেওয়া দরকার।
অর্থ প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল মান্নান, এসকেফের সেক্রেটারি জেনারেল শামসদ আখতার, অর্থ সচিব মো. মেজবাউদ্দীনসহ আরো অনেকে সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।
জেআই





