বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে লিবিয়ার বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটযোগে ঢাকায় অবতরণ করেন এসব বাংলাদেশি।

বিমানবন্দর, পররাষ্ট্র ও প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

দেশে ফেরত আসা ব্যক্তিরা দেশটির বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে ছিলেন। এর আগে তারা দেশটিতে অবৈধভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রবেশ করেন। অধিকাংশই ইউরোপের স্বপ্নে দালালের খপ্পরে পড়ে দেশটিতে গিয়েছিলেন। এখনো অনেকে ফেরার অপেক্ষা গুনছেন। পর্যায়ক্রমে তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য কাজ করছে দূতাবাস ও আইওএম।

এদিকে লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে গতকাল রাতেই জানানো হয়েছে, দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় ১৭৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে প্রত্যাবাসন করা হচ্ছে।

প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ১১৩ জন ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার এবং ৬২ জন বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। এছাড়া, তাদের মধ্যে ১৪ জন অভিবাসী শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।

তাদের ফ্লাইটে তুলে দেওয়ার আগে রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ, ত্রিপলীর মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম তদারকি করেন এবং তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে প্রত্যাবাসিতদের বিদায় জানান।

বাংলাদেশ দূতাবাস, লিবিয়া স্বেচ্ছায় দেশে প্রত্যাবর্তনে আগ্রহী এবং বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি অভিবাসীদের প্রত্যাবাসনে কাজ করছে দূতাবাস। এ লক্ষ্যে দূতাবাস লিবিয়া সরকার, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে তারা কাজ করছেন।

এস