শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুর প্রকল্প এলাকায় এই গাড়িবহরটি প্রবেশ করে।

পাবনার জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে ইউরেনিয়াম পৌঁছানোর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

যেভাবে রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়াম

এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রূপপুর প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত ইউরেনিয়ামবাহী বিশেষ কার্গো বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

শনিবার সকাল ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় বিমানবন্দর থেকে রূপপুরের উদ্দেশে রওনা হয় ইউরেনিয়ামবাহী গাড়িবহর।

তিনটি লরিতে করে ইউরেনিয়াম এবং অপর একটি গাড়িতে অন্যান্য আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম পরিবহন করা হয়। এই বহরের সঙ্গে রাশিয়া থেকে আগত বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যরাও ছিলেন।

পুরো পথজুড়ে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ, র‍্যাব এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় দায়িত্ব পালন করেন।

পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন

প্রকল্প সূত্র জানায়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য মোট সাতটি এবং প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিং কাজের জন্য দুটি—সব মিলিয়ে মোট নয়টি চালানে এই পারমাণবিক জ্বালানি দেশে এসে পৌঁছাবে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে সবকটি চালান সফলভাবে সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সব প্রস্তুতি সময়মতো সম্পন্ন হলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের প্রথম এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ২০০ থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা।

এনএইচ