মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মৎস্য-২ শাখা থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর জারি করা আদেশে এ বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরিবারপ্রতি ২৫ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা রয়েছে।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ৬ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকবে। এ সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলে পরিবারগুলোর জীবনযাত্রায় সহায়তা হিসেবে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হবে।

বরাদ্দ পাওয়া জেলার মধ্যে ইলিশ আহরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও শরীয়তপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, কিশোরগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ রয়েছে।

বরাদ্দের হিসাবে শরীয়তপুরে ২৬ হাজার ১২৯টি জেলে পরিবারের জন্য ৬৫৩ দশমিক ২২৫ মেট্রিক টন, মানিকগঞ্জে ৯ হাজার ২৬২ পরিবারের জন্য ২৩১ দশমিক ৫৫ মেট্রিক টন এবং রাজবাড়ীতে ৫ হাজার ৫৯২ পরিবারের জন্য ১৩৯ দশমিক ৮ মেট্রিক টন চাল রাখা হয়েছে।

রাজশাহী বিভাগের চার জেলায় মোট ১৯ হাজার ৪১১টি পরিবারের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৪৮৫ দশমিক ২৭৫ মেট্রিক টন চাল। এর মধ্যে পাবনায় ৩ হাজার ৫০০, বগুড়ায় ১ হাজার ৮৯০ এবং নাটোরে ৭৫০টি পরিবার রয়েছে।

রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধায় ১৬ হাজার ১২৬টি পরিবারের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪০৩ দশমিক ১৫ মেট্রিক টন চাল। এর মধ্যে কুড়িগ্রামে ৯ হাজার ৬১৬ এবং গাইবান্ধায় ৬ হাজার ৫১০টি পরিবার রয়েছে।

সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বরাদ্দ পাওয়া চাল নির্বাচিত ও প্রকৃত মৎস্যজীবীদের মধ্যে বিতরণ করতে হবে। নিবন্ধিত বা কার্ডধারী জেলে ছাড়া অন্য কাউকে ভিজিএফের চাল দেওয়া যাবে না।

চাল বিতরণের সময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বা তার প্রতিনিধি এবং ট্যাগ কর্মকর্তার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। সময়ের স্বল্পতার কারণে জেলা প্রশাসকদের বরাদ্দ পাওয়ার এক কার্যদিবসের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে চালের উপ-বরাদ্দ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের দুই কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের অনুকূলে ছাড়পত্র দেওয়ার কথা রয়েছে।

সরকারি আদেশ অনুযায়ী, ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধকাল শুরুর আগেই, অর্থাৎ ৮ অক্টোবরের মধ্যে জেলেদের মধ্যে ভিজিএফের চাল বিতরণ শেষ করতে হবে। বরাদ্দ পাওয়া চাল ৭ অক্টোবরের মধ্যে উত্তোলন ও বিতরণ সম্পন্ন করে হিসাব সংরক্ষণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

বিতরণ শেষে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রকৃত বিতরণের বিবরণী মৎস্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে।

এস