বরগুনার বামনা উপজেলায় ডোবা থেকে এক যুবলীগ নেতার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত রিপন হাওলাদার (৩৮) বামনা সদর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সোনাখালী গ্রামের রশিদ হাওলাদারের ছেলে।
সোমবার সকালে বাড়ির পেছনে বাগানের ভেতরের একটি ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, রিপনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ডোবার ভেতর পুঁতে রেখেছেন প্রতিপক্ষরা।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষে মামলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। নিহতের মা রিজিয়া বেগম জানান, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে তার ছেলেকে প্রতিপক্ষরা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।
তিনি আরও জানান, তার ছেলে ইজিবাইকচালক। রোববার রাত ১২টার দিকে বাড়ির সামনে সড়কের পাশে তার ইজিবাইকের ব্যাটারি চার্জ দিতে যায়। পরে সে আর বাসায় ফিরেনি।
অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির পেছনে একটি বাগানের মধ্যে ডোবার পানিতে ছেলের পায়ের জুতা ভাসতে দেখতে পান তিনি। পরে একটি লাঠি দিয়ে ওই ডোবার ভেতর খুঁজলে তার লাশ ভেসে ওঠে।
নিহতের ছোট ভাই সেলিম হাওলাদার জানান, তার চাচা চাঁন মিয়া হাওলাদার, আ. সহিদ হাওলাদার ও সৎভাই ইলিয়াস হাওলাদারের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ ঘটনায় সৎভাই ও চাচাদের আসামি করে একটি মামলাও চলমান।
তিনি বলেন, এ মামলায় সৎভাই মো. ইলিয়াস হাওলাদার (৪২) কয়েক দিন আগে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে বরগুনা জেলহাজতে ছিলেন। পরে গত রোববার জামিনে মুক্তি পেয়ে তাদের হুমকি দেন। রিপন হত্যার সঙ্গে তাদের যোগসাজশ থাকতে পারে বলে তিনি জানান।
এ ঘটনায় বামনা থানার ওসি মো. মাসুদুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, খবর পেয়ে লাশটি ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা কোর্টে পাঠানো হবে। ঘটনা তদন্ত করে পরে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এমআর





