আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১৯৮২টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৪২৩টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেন, এজন্য নির্বাচনকে ঘিরে পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা হবে তিন ধরনের।
শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সিটি নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্বন্ধে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসকল কথা বলেন।
কমিশনার বলেন, ঢাকা মহানগরবাসী যেন নির্বিঘ্নে ও উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারে সেজন্য নির্বাচনের আগের দিন থেকে ১ মে পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্তা গ্রহন করা হয়েছে।
নির্বাচনকে ঘিরে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, আনসার ও সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।
আসাদুজ্জামান মিয়া বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়ার পর থেকে অদ্যবদি তেমন কোন অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটেনি। যা ঘটেছে তা দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা।
তিনি বলেন, নির্বাচনে আইনশৃংখলা বজায় রাখার জন্য ঢাকা মহানগরে ২৫ এপ্রিল ভোর থেকে সবধরনের আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন না করা, ২৭ এপ্রিল রাত থেকে ২৪ ঘণ্টা বাস, ট্রাক, মিনিবাস, মটরসাইকেল প্রভৃতি যানবাহন চলাচল করা নিষেধ। তবে নির্বচন কমিশনের স্টিকার লাগানো গড়ি ও মটরসাইকেল চলার উপর নিষেধাজ্ঞা নেই।
তিনি আরো বলেন, ২৫ এপ্রিল রাত থেকে যারা ঢাকা মহানগরের ভোটার নন তারা যদি কোন ভাবে নির্বাচনি কাজে সম্পৃক্ত হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নির্বাচনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা তরান্বিত করার জন্য ৪টি পুলিশ কন্ট্রোল রুম করা হবে। যেখান থেকে দুই সিটির নিরাপত্ত পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রত্যেক কেন্দ্রেসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যমেরা স্থাপন করা হবে।
নিরাপত্ত কাজে সহযোগিতা করার জন্য ৭০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়ন থাকবে। প্রতি প্লাটুনে ৩০ জন করে জোয়ান থাকবে।
কোন প্রকার অপ্রিতিকর ঘটনা এড়াতে দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে ১৪ জন ও উত্তরে ৭ জন নির্বাহী মেজিস্ট্রের নেতৃত্বে মোবইল টিম থকবে।
এক প্রশ্নের জবাবে কমিশনার বলেন, ডিসিসি নির্বাচনে একক কেন্দ্রে ৪১৪টির মধ্যে ২৩১টি কেন্দ্রেই ঝুকিপূর্ণ। আর পুঞ্জিভূত ১৫৬৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১২৯টি কেন্দ্র ঝুকি পূর্ণ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
এআই/কেএইচ/ এআর





