হিউম্যান রাইটস কমিশনের মতো শুধু একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করলেই হবে না। এর স্বাধীনতা নিশ্চিত করণে সহায়তা করতে হবে। সরকারের কাছে স্পিকারের মাধ্যমে অনুরোধ করছি, সরকার যাতে মানবাধিকার কমিশনকে ৩২টি নয় অন্তত হলেও ১৬টি দাঁত দেন। তবেই কমিশন কাজ করতে পারবে। মাঝে মধ্যে কামড় দিতে সুবিধা হবে।

রোববার সিরডাপ মিলনায়তনে ২য় পঞ্চবার্ষিকী আলোচনা অনুষ্ঠানে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘অনেকেই বলে মানবাধিকার কমিশন নখদর্পনহীন। কোনো কাজে আসে না। আমরা কামড় দিতে চাই। কামড় দেওয়ার জন্য দাঁত দরকার। কিন্তু আমাদের সেই দাঁত নেই। মানবাধিকার কমিশনের মতো একটি প্রতিষ্ঠানকে ক্ষমতাহীন করে রাখলে কোনো কাজ করা সম্ভব নয়। সরকারের উচিৎ হবে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাধীনতা দিয়ে ক্ষমতাশালী করা।’

ফেলানী হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘এখানে ভারতের একজন মানবাধিকার কর্মী রয়েছেন। আমি তাকে বলবো, ভারতের মানবাধিকার কমিশন যেন ওই দেশের সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করে। যাতে ফেলানী পরিবার ন্যায়বিচার পায়।’

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, নারী ও শিশু প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকিসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

জেআই