ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেনকে নজরদারীতে রাখা হয়েছে। দেশ ছাড়ার কোন সুযোগ নেই জানিয়ে পুলিশ সদর দপ্তর বলছে ঘটনার তদন্ত চলছে। অপরাধ প্রমান হলে চাকরিচ্যুতের পাশাপাশি ফৌজদারি আইনেও মামলা করা হবে তার বিরুদ্ধে।
যৌন হয়রানি-থানায় অভিযোগ দিতে গেলে সোনাগাজী থানার ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে উল্টো নুসরাতকে হয়রানীর অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় সাইবার আইনের মামলার পর তদন্ত করছে পিবিআই।
হয়রানির প্রতিকার মেলেনি। গায়ে কেরোসিন দিয়ে পুড়িয়ে মারা হয় নুসরাতকে। পরে ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা। সবকিছুতেই অভিযোগ ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে। পুলিশ সদর বলছে নজরদারীর পাশপাশি এসব ঘটনার তদন্ত চলছে।
পুলিশ সদরদপ্তরের এ আইজি (মিডিয়া) সোহেল রানা বলেন, পুরো বিষয়টাকে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত ও বিশ্লেষণ করছি। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা দেশের বাইরে চলে যাবে বলে যে আশংকা করা হচ্ছে, তার কোন সুযোগই নেই।
অভিযোগ তদন্তে গঠন করা হয়েছ কমিটি। অপরাধ প্রমান হলে ছাড় পাবেনা ওসি মোয়াজ্জেম।
এ আইজি সোহেল রানা জানান, তার অপরাধের মাত্রা যদি সর্বোচ্চ বিভাগীয় শাস্তির সমতুল্য হয়, তাহলে তাকে চাকরিচ্যুত করার মত সুযোগ আছে। এছাড়া যদি ফৌজদারি অপরাধ করে থাকে,তাহলে ফৌজদারি আইনেও তার শাস্তি হবে। সর্বোচ্চ কঠোরতার সঙ্গেই আমরা এটি ফেইস করছি।
এসএম





