নরসিংদীতে এক ফুটবল খেলোয়াড়কে মারধর করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে দেলোয়ার হোসেন (৩২) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এতে দশ ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

সোমবার সন্ধ্যায় নরসিংদী সদর উপজেলার কান্দাইল গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহতরা হলেন- মাসুদ, জজ মিয়া, ছামাদ মিয়া, আওলাদ হোসেন ও হিরন মিয়া। তাদের নরসিংদীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, নরসিংদী সদর উপজেলার আমদিয়া ইউনিয়নের কান্দাইল ও সেরেন্দা পার্শ্ববর্তী দুটি গ্রাম। দীর্ঘদিন যাবত দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে একটি ঠান্ডা বিরোধ ছিল। সোমবার ঈদ উপলক্ষে সেরেন্দা গ্রামের খেলোয়াড়রা কান্দাইল গ্রামের একটি মাঠে ফুটবল খেলতে যান। খেলাধূলা শেষে সেরেন্দা গ্রামের খেলোয়াড়রা একটি বাড়িতে হাত-পা ধুতে গেলে সুযোগ পেয়ে পূর্বশত্রুতার জের ধরে কান্দাইল গ্রামের কয়েকজন লোক মিলে তাদেরকে মারধর করেন।

মার খেয়ে ফুটবল খেলোয়াড়রা নিজ গ্রাম সেরেন্দোয় ফিরে গিয়ে ঘটনাটি তাদের আত্মীয়-স্বজন ও গ্রামবাসীদের জানান। এতে সেরেন্দা গ্রামের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তারা ঘটনাটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কান্দাইল গ্রামে যান। সেখানে গেলে কান্দাইল গ্রামের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালান।

এ সময় তারা দেশি অস্ত্র দিয়ে সেরেন্দা গ্রামের ৮/১০ জনকে কুপিয়ে আহত করেন। এর মধ্যে মারাত্মক আহত অবস্থায় দেলোয়ার হোসেনকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আহতদের মধ্যে সংকটাপন্ন অবস্থায় আওলাদ হোসেন ও হিরন মিয়াকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

নরসিংদী সদর থানার উপপরিদর্শক (ওসি) আবুল কাশেম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

কেএইচ