রাজধানীর মহাখালী রেলক্রসিংয়ে সাড়ে ৮ ঘন্টার ব্যবধানে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তারা হলেন- সালাহ উদ্দিন (২৪) ও সোহরাব হোসেন (৬৩)।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করেছে রেলওয়ে থানা পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা (কমলাপুর) রেলওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রাশেদ রানা।

তিনি বলেন, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় দিনাজপুরগামী দ্রুতযান এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান সালাহ উদ্দিন। তার বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে।

সালাহ উদ্দিনের বোন নাজনীন সুলতানার বরাত দিয়ে এএসআই আরও জানান, সালাহ উদ্দিন গাজীপুরের মাওনায় থাকতেন। বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা দিতে ঢাকায় এসে এই দুর্ঘটনার সম্মুখিন হন।

এদিকে শনিবার ভোর ৫টার দিকে একই স্থানে ময়মনসিংহগামী বলাকা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মারা যান সোহরাব হোসেন। তার বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটি। তিনি নাখাল পাড়ার অরাজত পাড়ায় থাকতেন।

গুলশানের একটি সিকিউরিটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন সোহরাব। ভোরে সেখানে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়ে ট্রেনে কাটা পড়েন তিনি।

এএসআই রানা আরও পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, সোহরাব হোসেন চোখে কম দেখতেন। আবেদনের পরিপরিপ্রেক্ষিতে দু'জনের লাশ তাদের পরিবারের কাছে ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করা হয়েছে।

এমবি