নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে যুবলীগ কর্মী নিহত হয়েছেন। এ সময় ৩ গুলিবিদ্ধসহ আহত ১২ জন। সংঘর্ষ চলছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার চর কিংয়ের ব্রিজবাজার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মজিদ। নিহত নূর আলম (৩৫) ওই এলাকারই বাসিন্দা। তিনি যুবলীগ কর্মী বলে জান গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, আজ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যাপক ওয়ালি উল্লাহ এবং সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলীর সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। দীর্ঘদিন ধরেই এই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো। এ দ্বন্দ্বের জেরে যুবলীগ নেতা আশরাফ নিহত হন।
স্থানীয়রা জানায়, সকালে ওয়ালি উল্লাহর পক্ষের লোকজন প্রতিপক্ষের লোকজনের বাড়িঘরে হামলা চালায়। তখন মোহাম্মদ আলীর সমর্থকরা তা প্রতিহত করেন। একপর্যায়ে দুইপক্ষই দেশীয় অস্ত্র-সশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
এতে ঘটনাস্থলেই নূর আলম মারা যান। আহতদের মধ্যে দু’জনকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এমবি





