সিলেটে এক পাথর ব্যবসায়ীকে অপহরণ করতে গিয়ে জনতার হাতে দুই অপহরণকারী আটক হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা দেড়টার দিকে সিলেট নগরীর সুরমা মার্কেট এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করে পুলিশে দেয় জনতা।

আটককৃতরা হচ্ছেন, মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর থানার গবিনপতি এলাকার মৃত মতিন খানের ছেলে আরাফাত খান (২৫) এবং বালাগঞ্জ উপজেলার বশিরপুর গ্রামের মীর মোহাম্মদের ছেলে মীর মো. খায়রুল ইসলাম তুহিন (২৭)।

জানা যায়, আরাফাত খান ও মীর মো. খায়রুল মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর সুবিদবাজার মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড থেকে মৌলভীবাজার যাওয়ার কথা বলে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া নেয়। সেখান থেকে সিলেট নগরীর সুরমা মার্কেট এলাকায় গিয়ে মাইক্রোবাস থামিয়ে মার্কেটের ভেতরে যায় তারা।

মার্কেটের ভেতর থাকা আবুল হাসনাত নামক এক পাথর ব্যবসায়ীকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নেয়ার চেষ্টা করে তারা। এ সময় জনতা তাদেরকে ধাওয়া দিয়ে আটক করে। পরে পুলিশের হাতে তাদেরকে তুলে দেওয়া হয়। এ সময় মাইক্রোবাসচালক আবদুল কাদিরকেও আটক করে পুলিশে দিয়েছে জনতা।

তবে মাইক্রোবাসচালক আবদুল কাদির জানান, আরাফাত ও খায়রুল মৌলভীবাজার যাওয়ার কথা বলে মাইক্রো ভাড়া করে। কিন্তু তারা সুরমা মার্কেটের সামনে গিয়ে গাড়ি থামিয়ে ভেতরে যায়। কিছুক্ষণ পর তাদেরকে দৌড়ে আসতে দেখেন তিনি। তারা দৌড়ে এসে মাইক্রোতে ওঠে পড়ে।

এসময় আরাফাত ও খায়রুলের সঙ্গে সঙ্গে তাকেও (কাদিরকে) আটক করে জনতা। পরে সবাইকে পুলিশে দেওয়া হয়।

জানা যায়, আবুল হাসনাত কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ঘুরদেউ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সিলেট নগরীর শাহী ঈদগাহ এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। তিনি পাথর ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

তার ছোট ভাই আবুল বারাকাত জানান, ব্যক্তিগত কাজে আবুল হাসনাত মঙ্গলবার সুরমা মার্কেটে গিয়েছিলেন। এসময় তাকে অপহরণের চেষ্টা করা হয়।

তবে ঠিক কী কারণে আবুল হাসনাতকে অপহরণের চেষ্টা করা হয়েছে, তা তিনি জানাতে পারেননি।

সিলেট কোতোয়ালি থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) সোহেল আহমদের সেলফোনে কল করা হলে, তিনি ‘ব্যস্ত আছেন’ বলে ফোন রেখে দেন।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. রহমত উল্লাহ জানান, তিনি দুপুরের খাবার খেতে বাসায় আছেন। বিষয়টি তার জানা নেই।

কেএইচ