লক্ষ্মীপুরে তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার দুপুর পর্যন্ত এই লাশগুলো উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ টুমচর গ্রামের শ্বশুর মোস্তফা মিয়ার বাড়িতে জামাই সোহেল হোসেন বেড়াতে যায়। রাতে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহের জের ধরে ঝগড়ার এক পর্যায়ে শ্বশুর বাড়ির লোকজন সোহেলকে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে তার লাশ গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে অত্মহত্যা বলে প্রচারণা চালায়।

পুলিশ দুপুরে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় তার শাশুড়ি মুরশিদা বেগমকে আটক করেছে পুলিশ। স্ত্রী জাহানারা বেগম টুনী ও শ্বশুর মোস্তফা মিয়ার ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। নিহত সোহেল একই উপজেলার বাঞ্চানগর গ্রামের মৃত আবদুর রহিমের ছেলে।

অপরদিকে কমলনগর উপজেলার মেঘনা নদীতে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর জেলে নুর নবীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সকালে তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। নিহত জেলে নুরনবী গত ১২ জুলাই বিকালে কমলনগর উপজেলার মেঘনার নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন।

এছাড়া রায়পুর উপজেলার চরপাতা গ্রাম থেকে এলএম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী স্বপ্না আক্তারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। পুলিশ বলছে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাবার পর বলা যাবে হত্যার রহস্য। নিহত স্কুল ছাত্রী স্বপ্না আক্তার একই গ্রামের সিদ্দিক উল্যার মেয়ে।

ঢাকা, ১৪ জুলাই (টাইমনিউজ.কম) // জেএ