ভোজ্যতেলের নামে চট্টগ্রাম বন্দরে আসা সেই কন্টেইনারের তরল পদার্থের নমুনা পুনঃপরীক্ষায় কোকেনের অস্তিত্বের প্রমাণ মিলেছে।
ঢাকায় দুটি পরীক্ষাগারে পরীক্ষার পর তরল কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া যায় বলে শনিবার শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মঈনুল খান দাবি করেছেন।
ঢাকার বিসিএসআইআর এবং বাংলাদেশ ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে তরলের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
মঈনুল খান বলেন, কনটেইনারে থাকা ৯৬ নম্বর ড্রামের তরলের পরীক্ষায় কোকেনের অস্তিত্ব মিলেছে। ওই ড্রামের ১৮৫ কেজি সানফ্লাওয়ার অয়েলের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ তরল কোকেন বলে ধারণা করছি।
এ মাসের ৭ জুন চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইয়ার্ডে থাকা কন্টেইনারটি আটক করে সিলগালা করে দেয় শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর।
প্রাথমিক পরীক্ষায় কোকেনের নমুনা ধরা পড়েনি। পুলিশের অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক জাবেদ পাটোয়ারী বলেছিলেন, বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কন্টেইনারটি শনাক্ত করা হয়।
চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের খান জাহান আলী লিমিটেড নামে কনটেইনারটি আমদানি করা হলেও বন্দরে আসার পর এর মালিকানা কেউ দাবি করেনি।
এমএ/এসএইচ





