বঙ্গোপসাগরে সেন্টমার্টিন দ্বীপের কাছে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে রোহিঙ্গাদের ট্রলারডুবির মর্মান্তিক ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে প্রস্তুত আছে জাতিসংঘ।
এই ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারের সাথে কাজ করছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আইওএম ও ইউএনএইচসিআর যৌথ বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
বিবৃতিতে সংস্থা দু’টি জানিয়েছে, ১১ ফেব্রুয়ারির এই দুর্ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ১৫ জন নিহতের খবর নিশ্চিত করেছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনা থেকে উদ্ধার অন্তত ৬৮ জন মানুষ প্রাথমিক চিকিৎসা নিচ্ছে।
আইওএম, ইউএনএইচসিআর এবং জাতিসংঘের সব সংস্থা ও অন্য এনজিও এ ঘটনায় গভীরভাবে দুঃখিত। আমরা সরকারের পাশে থেকে উদ্ধার বিপর্যস্ত মানুষকে খাদ্য, আশ্রয়, চিকিৎসা বা যে কোনো সহায়তায় এগিয়ে আসতে প্রস্তুত আছি।
সংস্থা দু’টি জানায়, কক্সবাজারে অনিয়মিত ও অনিরাপদ নৌযাত্রা নতুন কোনো ঘটনা নয়। রোহিঙ্গা শরণার্থী ও বাংলাদেশি জনগণ উভয়েই বিভিন্ন পরিস্থিতির শিকার হয়ে এ ঝুঁকি নিয়ে থাকে।
সাগরপথের অনিরাপদ ভ্রমণের কথা বিবেচনা করে জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ সরকার উভয় জনগোষ্ঠীর সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে আসছে। আমরা আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে কাজ করছি যেন পাচার রোধ করা যায় ও মানুষকে এর হাত থেকে রক্ষা করা যায়।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ভোরে (১১ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজারের টেকনাফে বঙ্গোপসাগরে ছোট ছোট পাঁচটি ট্রলারে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন ১৩৮ জন রোহিঙ্গা। পরে তাদের আরেকটি বোটে তোলার পরই সেটি ডুবে যায়। এই ঘটনায় নিখোঁজদের মধ্যে ৭১ জনকে উদ্ধার করে পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এখনও নিখোঁজ ৫২ রোহিঙ্গা।
এমবি





