চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোশাররাফ হোসেন দীপ্তির বাসায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর এবং পরিবারের সদস্যদের মারধর করেছে পুলিশ।
আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর আকবর শাহ থানার আকবর শাহ মাজার গলির বাসায় পুলিশ এ হামলা চালায়।
পুলিশী হামলায় আহত হয়েছেন দিপ্তীর স্ত্রী নিহার সুলতানা ইমু এবং দীপ্তির ছোট ভাই রতন।
পুলিশ বন্দুক উচিয়ে গুলি করার চেষ্টা করলে নিহার সুলতানা বন্দুক ধরে ফেলেন। এতে অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া সিএমপির আকবরশাহ শানার এ এস আই সাহেদ ক্ষিপ্ত হয়ে নিহার সুলতানাকে আঘাত করেন। এবং রতনকে মাটিতে ফেলে কিল ঘুষি এবং লাথি মারেন বলে জানান নিহার সুলতানা।
যুবদল নেতা দীপ্তির পরিবারের সদস্যরা জানান, শুক্রবার দুপুর আড়া্ইটায় নগরীর আকবর শাহ থানা এলাকায় কাজি অফিস লেইনের (মাজার গলি) বাসায় পুলিশ আসলে এসময় দীপ্তি দুপুরের ভাত খাচ্ছিলেন। এ এস আই সাহেদ তাকে ভাত খেতে না দিয়ে দুর্ব্যবহার করে টেনে হেঁছড়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুরিবারে সদস্যরা প্রতিবাদ করেন। এতে পুলিশ তাদের উপর হামলা করে।
খবর পেয়ে আশে পাশের হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়ে পুলিশকে ঘেরাও করে পুলিশের বিরুদ্ধে শ্লোগান দিতে থাকে। এবং এতে পুলিশ পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে দীপ্তিতে আটক না করেই চলে যান।
বিষয়টি নিশ্চত করে আকবর শাহ থানার ওসি আলমগীর জানান, দিপ্তীর বিরুদ্ধে একটি মামলায় ওয়ারেন্ট আছে তাই তাকে গ্রেফতার অভিযান চালানো হয়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে এ এস আই সাহেদ বলেন, আমি এ ব্যাপারে কিছুই বলবো না। আপনি ডিউটি অফিসারের সাথে কথা বলেন বলেই ফোনের লাইন কেটে দেন। আবার অন্য নম্বার থেকে ফোন করে পরিচয় দেয়ার পর তিনি বলেন, আমি বলেছি এ ব্যাপারে কিছু বলবো না। আপনি অভিযানে গেছেন কিনা এ প্রশ্ন করা হলে তিনি ফের ফোনের লাইন কেটে দেন।
মাসুম/এমবি





