আসন্ন ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ঢাকা মহানগরীর পার্শ্ববর্তী যানজটপ্রবণ ১০টি স্থানে ৯০০ জন স্বেচ্ছাসেবক কাজ করবে। ঈদের আগে পাঁচদিন স্বেচ্ছাসেবকেরা পুলিশকে পরিবহন ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করবে।

রোববার ডিজেলের মূল্যহ্রাসে দূরপাল্লার বাসে পুন:নির্ধারিত ভাড়া কার্যকরে গাবতলী টার্মিনালে পরিচালিত বিআরটিএ’র ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, তিন শিফটে সড়কে স্বেচ্ছাসেবকেরা কাজ করবে। প্রতি শিফটে থাকবে ৩০০ জন করে। স্কাউট, বিএনসিসি, এলাকাভিত্তিক কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সদস্যদের এ কাজে সম্পৃক্ত করা হবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আশুলিয়ার জিরাবো বাজার, ফ্যান্টাসি কিংডমের সামনে, বাইপাইল মোড়, চন্দ্রা মোড়, কোনাবাড়ি, কালিয়াকৈর মোড়, নবীনগর মোড়, কাঁচপুর, ভুলতা, মেঘনাসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এসব স্বেচ্ছাসেবক কাজ করবে।

এছাড়া গাজীপুর চৌরাস্তা, টঙ্গী, ভোগড়া ইত্যাদি পয়েন্টে কমিউনিটি পুলিশ কাজ করবে।

তিনি বলেন, ঈদ যাত্রায় মহাসড়কগুলোর যানজটপ্রবণ এলাকায় নারী ও শিশুদের জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য মহাসড়কের পাশে এবং ফেরিঘাটে অস্থায়ী ভিত্তিতে টয়লেট নির্মাণ করা হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক তথা চন্দ্রা মোড়ের সম্ভাব্য যানজট মোকাবিলায় যাত্রীদের জন্য তিনটি বিকল্প রুট হিসেবে কালিয়াকৈর-ধামরাই সড়ক, আরিচা-ঘিওর-নাগরপুর-টাঙ্গাইল সড়ক ও কালামপুর-সাটুরিয়া-দেলদুয়ার-টাঙ্গাইল সড়ক ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। ছোট আকারের যানবাহনগুলো এ তিনটি বিকল্প রুটে চলাচল করতে পারবে।

পরিদর্শনকালে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিআরটিএ’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছিলেন।

এফএফ