মাওয়ায় লঞ্চডুবির ঘটনায় উদ্ধার অভিযান স্থগিত ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।
সোমবার সকাল ১১ টায় মাওয়ার 'পদ্মা' রেস্ট হাউজে সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম বাদ এই ঘোষণা করেন।
গত ৪ অগাস্ট কাওড়াকান্দি থেকে মাওয়া আসার পথে ডুবে যায় লঞ্চ পিনাক-৬। এ পর্যন্ত মোট ৪৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হলেও মাওয়ার কাছে পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া লঞ্চটির অবস্থান সনাক্ত করা যায়নি আট দিনেও।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের বর্ণনা অনুযায়ী, ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুণ যাত্রী নিয়ে আসার পথে ঢেউয়ের তোড়ে মাঝনদীতে ডুবে যায় পিনাক-৬।
এদিকে পিনাক-৬ লঞ্চের বেঁচে যাওয়া যাত্রী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য নেবে এই নৌদুর্ঘটনা তদন্তে গঠিত নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় গঠিত কমিটি।
ওই লঞ্চের বেঁচে যাওয়া যাত্রী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পদ্মা রেস্ট হাউসে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিতে অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
সরকারি হিসাবে শনিবার পর্যন্ত নিখোঁজের সংখ্যা ১২২ জন বলা হলেও রোববার তা হঠাৎ অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়। রোববার বিকালে মাওয়ায় পুলিশের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বলা হয়, নিখোঁজ রয়েছেন ৬১ জন।
এদিকে শনিবার তল্লাশি যান কাণ্ডারি-২ এর সাইড স্ক্যান সোনারে নদীর ১৯ মিটার গভীরে একটি ধাতব বস্তুর অস্তিত্ব ধরা পড়ার পর রোববার তাকে ঘিরে উদ্ধার অভিযান সঙ্কুচিত করে আনা হয়। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সার্ভে ভেসেল জরিপ-১০ ও টাগ বোট কাণ্ডারি-২ কে ‘ধাতব বস্তুটির’ অবস্থানে রেখে প্রত্যাহার করা হয় নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, বিআইডব্লিউটিএ ও ফায়ার সার্ভিসের সব নৌযান।
রোববার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক সাইফুল হাসান বাদল বলেন, পদ্মার তলদেশে খুঁজে পাওয়া ‘ধাতব বস্তু’ পিনাক-৬ কিনা তা নিশ্চিত করার কাজে তল্লাশি অভিযানের সবটুকু মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতেই এ সিদ্ধান্ত।
ঢাকা, ১১ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





