আস্থার সঙ্কট কাটাতে মায়ানমারের সঙ্গে নিয়মিত নিরাপত্তা বিষয়ক বৈঠক করতে চায় বাংলাদেশ। তাই এরইমধ্যে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ক একটি নিরাপত্তা সংলাপ সমঝোতার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে মায়ানমারকে।
আগামী ১৮ জুন ঢাকায় অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যকার অষ্টম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যায়ের বৈঠকে এ নিয়ে ‍আলোচনা হবে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র।
বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক। এর আগে ২০১৩ সালের ১২ এপ্রিল মায়ানমারের রাজধানী নেপিদোতে সপ্তম বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্র জানায়, এছাড়াও মায়ানমারের সঙ্গে রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধান, সীমান্ত পথে মাদকসহ সব ধরনের চোরাচালান বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, আঞ্চলিক সহযোগিতা, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণ, গ্যাস ও বিদ্যুৎ খাতে দু’দেশের সহযোগিতার বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে।
জানা যায়, চলতি মে মাসে দু’দেশের মধ্যে নিরাপত্তা বৈঠক বিষয়ক একটি সমঝোতা হওয়ার কথা ছিলো। এ বিষয়ে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে একটি খসড়া প্রস্তাব মায়ানমারকে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ।
নিরাপত্তা সংলাপ ছাড়াও এবারের বৈঠকে মায়ানমারের সঙ্গে সম্পূরক সীমানা প্রটোকল নিয়ে আলোচনা করতে চায় বাংলাদেশ। ১৯৬৬ সালে প্রথম পাকিস্তান ও বার্মার মধ্যে সীমান্ত প্রটোকল চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এ সময়ে নাফ নদীকে সীমান্ত হিসেবে চিহ্নিত করে দুই দেশ।
এরপর ১৯৮০ সালে প্রথম বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে এর সম্পূরক সীমান্ত প্রটোকল চুক্তি স্বাক্ষর হয়। ২০০৭ সালে দুই দেশই এটিকে প্রাতিষ্ঠানকি রূপ দিতে সব অনুষ্ঠানিকতা শেষ করেছে। যদিও দুই দেশেই অনুসমর্থনের অনুষ্ঠানিকতা বাকি রয়েছে।
[b]ঢাকা, ২৮ মে (টাইমনিউজবিডি.কম)//এএইচ[/b]