হাসির খোরাক হলেও সমাজে ভালোভাবে বাঁচতে চায় প্রতিবন্ধী ইমরান। উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়নের নগর শ্রীরামপুর গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে ইমরান জন্মসূত্রে প্রতিবন্ধী।
সে কথা বলতে পারে না, তার মাথাও অনেক ছোট্ট। মাঝে মধ্যে ২/৪ দিন সে নিরুদ্দেশ থাকে। কারণ সমাজের দুষ্ট মানুষরা তাদের হাসির খোরাক মেটাতে ইমরানকে নিয়ে যায় অজানা ঠিকানায়। সেখান থেকে অনেক সময় গাড়ির হেলপার বা পরিচিতজনরা ২/৩ দিন পর তাকে ফেরত নিয়ে আসে।
তবে বাড়ির বাইরে গেলে ইমরানকে মানুষ যা খেতে দেয়, তার চেয়ে বেশি ক্ষতি করে । কারণ ইমরান কথা বলতে পারে না বলে দুষ্ট মানুষরা তাকে সিগারেট-গাঁজা খেতে দেয়, সেই সঙ্গে গায়ে সিগারেটের ছ্যাঁকা দেয়। যার জন্য তার গায়ে পোড়া ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে।
ইমরানের মা ববিতা বেগম জানান, আমার ৪টা ছেলে মেয়ের মধ্যে ইমরান বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। রাস্তা-ঘাটে অনেকেই তাকে সহযোগিতা না করে উল্টো গায়ে সিগারেটের আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়, ভোগান্তি দেয় এতে মা হিসেবে আমার কষ্ট বাড়ে।
পিতা মোশারফ বলেন, সরকার প্রতিবন্ধী ভাতা দেয় শুনেছি, কিন্তু ইমরানের জন্মের পর হতে আজ পর্যন্ত প্রতিবন্ধী ভাতা পায়নি। তিনি আরও বলেন, তার চিকিৎসার প্রয়োজন, কিন্তু টাকার অভাবে তা সম্ভব হচ্ছে না।
সমাজের বিত্তবান ও সরকারের সহযোগিতা পেলে ভালো চিকিৎসা করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, মানুষের অত্যাচারে ইমরানকে বাইরে নিতে পারি না, এ জন্য তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রেখেছি। সরকারের সহযোগিতা পেলে ইমরানকে এ অমানবিক অবস্থা থেকে মুক্ত করা সম্ভব বলে তিনি জানান ।
এমএনজে





