পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতমালা হিমালয়ের ‘কেয়াজো-য়ি শখয়র’ জয় এবং দুগলা-গিরিপথে ‘সজল খালেদ স্মৃতিফলক’ স্থাপন করতে বাংলাদেশি একটি পর্বতারোহী দল আগামী ১০ অক্টোবর নেপাল যাচ্ছেন।
শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
ছয় সদস্যের এ অভিযাত্রিক দলের নেতৃত্ব দেবেন দুইবার এভারেস্ট জয়ী এমএ মুহিত।
২০১৩ সালের ২১ মে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করে নেমে আসার সময় সোমবার সজল খালেদসহ দুইজন নিহত হন।
সজল খালেদের (মোহাম্মদ খালেদ হোসাইন) গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার আটপাড়া ইউনিয়নের সিংপাড়া হাসারগাঁও গ্রামে। তার বাবার নাম আব্দুল আজিজ ও মায়ের নাম মৃত সখিনা বেগম।
চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সজল খালেদ সবার ছোট। তারা ঢাকার মগবাজার এলাকায় বসবাস করতেন। এর আগেও সজল নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার পর্বত শৃঙ্গ জয় করে এসেছিলেন। তার বাবা বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক পরিচালক।
এভারেস্ট জয়ের আগে সজল খালেদ নিজেকে দেশের একজন তরুণ চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। ৩৫ বছর বয়সী এ তরুণ সবার কাছে ‘সজল খালেদ’ নামে পরিচিত ছিলেন।
তার পরিচালিত চলচ্চিত্রের নাম ‘কাজলের দিনরাত্রি’। এভারেস্ট জয়ী সজল খালেদের স্ত্রীর নাম শৈলী। তাদের সুস্মির নামে একটি ছেলে রয়েছে।
২০১১ সালের মে মাসে সজল তিব্বতের নর্থ ফেস ধরে এভারেস্ট অভিযানে গিয়েছিলেন। সেবার তিনি প্রায় ২৩ হাজার ফুট পর্যন্ত উঠেছিলেন। কিন্তু ফুসফুসে পানি জমে যাওয়ায় নেমে আসতে হন তিনি।
২৫ এপ্রিল কাঠমাণ্ডু থেকে এভারেস্টের উদ্দেশে রওয়ানা হন তিনি।
ঢাকা, ২৬ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএইচ





