গত কয়েক মাসে রোহিঙ্গাদের মধ্যে কয়েকজন নিহত হওয়ার পর রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার স্বার্থে আরো অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কক্সবাজার পুলিশ প্রশাসন।
গত বছরের আগস্ট থেকে মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চলে সেনাবাহিনীর দ্বারা জাতিগত নিপীড়নের স্বীকার হয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজারসহ বিভিন্ন ক্যাম্পে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ১৯ জন নিহত হয়।
যাদের মধ্যে কয়েকজন রোহিঙ্গা নেতাও ছিলেন। এসব হত্যাকাণ্ডের কারণে রোহিঙ্গাদের মধ্যে এক ধরনের ভয় ও নিরাপত্তাহীনতা কাজ করছে। যার কারণে প্রয়োজন হয়ে পড়ছে বাড়তি নিরাপত্তা।
পাশাপাশি পুলিশ এ হত্যাকাণ্ডের সাথে সংযুক্ত থাকা কয়েকজনকে গ্রেফতার করতে পারলেও হত্যাকাণ্ডের পিছনের রহস্য উদঘাটন করতে পারছে না। ফলে বাছাই করে রোহিঙ্গা নেতাদের হত্যার কারণ এখনো অপরিস্কার।
হত্যাকাণ্ডগুলোর প্রায় সবগুলোই রাতে সংগঠিত হয় এবং অস্ত্রধারী ও ছুরিধারী একটা গোষ্ঠিই এ হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। রোহিঙ্গা ক্যাম্পটি দিনের বেলায় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে থাকলেও রাতে কিছু সংখ্যাক পুলিশের তত্ত্ববধানে থাকে।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার আ.খ.ম ইকবাল হোসাইন বলেন, রোাহিঙ্গাদের নিরাপত্তার জন্য প্রায় ২৪০০ লোকের একটি বিশেষ বাহিনী তৈরি করা হয়েছে।
অপরদিকে রোহিঙ্গা নিরাপত্তার জন্য ক্যাম্পে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তা আরিফুল হক টুটুল।
উল্লেখ্য, গত বছরের আগস্ট মাস থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দ্বারা জাতিগত নিধনের স্বীকার হয়ে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রায় ৭ লক্ষ রোহিঙ্গা আশ্রয় নেয়। যেটা পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ও দ্রুত বর্ধমান শরণার্থী ক্যাম্প।
জেড





