এ যেন সর্পরাজ্যে মানুষের বসতি! প্রায় শত বিষাক্ত গোখরো সাপের মাঝে কিছু মানুষের বসবাস। এমনটাই ঘটেছে কুমিল্লা নাঙ্গলকোটের মক্রুবপুর ইউনিয়নের হাপানিয়া খাঁন বাড়িতে!
প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, গত আট তারিখ ঘরের মাঝে সাপ হাটতে দেখে ৭টি সাপ মারার পর নয় তারিখ সাপুড়ে এসে ৪টি সাপ ধরে নেয়। কিন্তু আজ আবার সাপের উৎপাত দেখে কারো কোন ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই ৫০টি সাপ হত্যা করা সম্ভব হয়।
মোবারক হোসেন খাঁনের ছোট ছেলে মাহমুদ টাইম নিউজকে জানান, গত ৭ তারিখ আক্তার কাকার বউ অর্থাৎ আমার চাচির রুমের খাটের নিচে কিছু সাপের বাচ্চা দেখে সাহস করে সেগুলোকে লাঠি দিয়ে হত্যা করলেন তিনি। তার কিছুক্ষন পর সুকেচের নিছে আরো কিছু সাপ দেখে মোট ১২টি সাপ মেরে আমাকে সাপুড়ে নিয়ে আসার জন্য বলেছে। আমি তখন মাদ্রাসা মাঠে খেলাধুলা করছিলাম। সংবাদ পেয়ে আমার এক বন্ধু থেকে সাপুড়ের নাম্বার নিয়ে তাকে আসতে বলি। তিনি একদিন পর এসে পুরো বাড়ি কুণ্ডলী দিলো এবং কাকার ঘরের পিছনে রাখা ইটের স্তুপের নিচ থেকে একটি ও রান্নাঘর থেকে আরেকটি সাপ বের করলো।
ঘরের পিছনের ইটের নিচে ওনেকগুলো সাপের বাচ্চা আছে বলে কিছু মেডিসিন দিয়ে সাপুড়ে বলেন ঔষধটা সেখানে ছিটিয়ে সেগুলো মারার জন্য। তারপর আজ এলাকার কয়েকজনকে নিয়ে ইটগুলো সরিয়ে দেখি অনেকগুলো সাপ! তখন সবাই মিলে বিষাক্ত খইয়া গোখরোগুলোকে হত্যা করি।
বজলুর রহমান খাঁনের নাতী মারুফ জানান, আমরা বলতে পারতাম না, হঠাৎ দেখি ঘরের ভিতরে সাপগুলো হেটে বেড়াচ্ছে, তখন আমারা আরো সাপ আছে বলে সন্দেহ করে সাপুড়েকে খবর দিই। সাপুড়ে ৪টি সাপ নিয়ে যাওয়ার পরও আজসহ আরো ৬৮টি সাপ হত্যা করতে পেরেছি আমরা। এখন সবাই নিরাপদে আছে।
রাশেদুল আলম/এসএম





