আটকের পর ঠান্ডা মাথায় যশোরে ছাত্রশিবিরের এক কর্মীর পা ভেঙে দিয়েছে পুলিশ। তবে পুলিশের দাবি, দৌড়ে পালানোর সময় সে আহত হয়।
শাকিল হোসেন নামে ওই ছাত্র পুলিশের তত্ত্বাবধানে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত শাকিল ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার গৌরীনাথপুর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। তিনি যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজে রসায়ন দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
শাকিল জানান, বুধবার দুপুরে শহরের রবীন্দ্রনাথ সড়কের কাছে হোমিওপ্যাথি কলেজের সামনে থেকে সদর ফাঁড়ির হাবিলদার বাবুল আক্তার তাকে আটক করেন। পরে তাকে ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এরপর ডিবি সদস্যরা গভীর রাতে তাকে নিয়ে খড়কী এলাকার মেসের সামনে যায়। সেখানে ডিবি সদস্যরা চারটি বাজি পোড়ায়। রাতেই তাকে কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করে ডিবি।
অভিযান শেষে রাত ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে তাকে থানাহাজত থেকে বের করে ডিউটি অফিসারের কক্ষে আনা হয়। সেখানে পুলিশ সদস্যরা রড দিয়ে তাকে বেদম পেটায়। এতে তার পা ভেঙে যায়। পরে হাবিলদার বাবুল আক্তার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইনামুল হক বলেন, আটকের সময় শাকিল দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করায় পড়ে গিয়ে সে আহত হয়। সে কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এছাড়া শাকিলকে দুপুরে নয়, রাত পৌনে ৮টায় আটক করা হয়েছে বলেও দাবি করেন ওসি।
এদিকে, ছাত্রশিবির যশোর শহর শাখার সেক্রেটারি আজহার উদ্দিন জানান, শাকিল তাদের সংগঠনের কর্মী। পুলিশ প্রথমে শাকিলের বাবার কাছে ফোন করে এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করে। টাকা দিতে না পারায় পিটিয়ে তার পা ভেঙে দেয়া হয়।
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক গোলাম ফারুক জানান, শাকিলের বাম পায়ের হাড় ফেটে গেছে। শরীরের আরো আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
এমকে





