নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে পিতৃভূমিতে শেষশয্যায় শায়িত হবেন রত্নগর্ভা আয়েশা ফয়েজ।
রোববার সকাল ১০টায় দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে আয়েশা ফয়েজের দাফন সম্পন্ন হবে।
রাজধানীর পল্লবীতে শনিবার বাদ জোহর আয়েশা ফয়েজের প্রথম নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- তার দুই ছেলে অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও কার্টুনিস্ট আহসান হাবীবসহ পরিবারের সদস্য ও ভক্তানুরাগীরা। জানাজা শেষে তার মৃতদেহ মোহনগঞ্জের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়।
এর আগে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে শনিবার সকাল ৭টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তার বড় ছেলে নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ ২০১২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
মৃত্যুকালে আয়েশা ফয়েজ দুই ছেলে লেখক ও গবেষক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, কার্টুনিস্ট ও রম্যলেখক আহসান হাবীব, তিন মেয়ে সুফিয়া হায়দার, মমতাজ শহীদ ও রোখসানা আহমেদসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
বেশ কিছুদিন ধরে তিনি কিডনিসহ বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। অবস্থা জটিলাকার ধারণ করলে তাকে ১২ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩টায় রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ল্যাবএইডে তিনি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বরেণ চক্রবর্তীর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
আয়েশা ফয়েজের জন্ম ১৯৩০ সালের ২৩ মার্চ নানাবাড়ি নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টার কৈলাটি গ্রামে। তার বাবার নাম শেখ আবুল হোসেন ও মায়ের নাম খায়রুন নেসা। ১৯৪৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পুলিশ কর্মকর্তা ফয়জুর রহমানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। স্বামী ফয়জুর রহমান একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন। তিন সাহিত্যিক পুত্রের জননী আয়েশা ফয়েজ ‘জীবন যে রকম’ নামে একটি আত্মজীবনীমূলক বই লিখে গেছেন।
ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর, টাইনিউজবিডি.কম, জেএ





