রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যোগাযোগের অন্যতম মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ-রুটে সকল যানবাহনে দ্বিগুন ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর মাওয়া থেকে ছেড়ে আসা স্পিডবোটগুলিতে ৫০ টাকা করে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। ভাড়া নিয়ন্ত্রণে তেমন কার্যকর ভূমিকা নেই পুলিশের।

জানা গেছে, শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় সকাল থেকেই এ রুট দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রীদের কিছুটা ভীড় শুরু হয়েছে।

ফেরি ও লঞ্চে নির্ধারিত ভাড়া আদায় করা হলেও স্পিডবোটগুলোতে ১৫০ টাকার ভাড়া ২০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে।

এছাড়া, ভাঙ্গাসহ লোকাল বাসগুলো রুট পরিবর্তন করে বরিশাল ও খুলনা রুটে চলায় যাত্রীদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে। এ সকল প্রতিটি বাস বরিশালের যাত্রীদের কাছ থেকে ১৫০ টাকার ভাড়া ৩০০ টাকা, খুলনায় ৪০০ টাকা আদায় করছে।

মাইক্রোবাসগুলো আরও বেপরোয়া হয়ে দ্বিগুনেরও বেশি ভাড়া আদায় করছে।

এদিকে বাড়তি ভাড়ার পাশাপাশি যাত্রীদের পড়তে হচ্ছে নানা ধরণের হয়রানীতে। হালকা কোনো যানবাহন ঘাট এলাকায় প্রবেশ করতে না দেয়ায় লোকাল যাত্রীরা প্রায় দেড় কিলোমিটার পথ পায়ে হেটে বা পিকাআপ, সবুজবাংলাসহ হালকা যানে উঠতে হচ্ছে। এতে গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার খোন্দকার ফরিদুল ইসলাম বলেন, নদী ও ঘাট এলাকায় দুই শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। চাপ থাকলেও এখন পর্যন্ত ঘাট এলাকা যানজট মুক্ত রয়েছে। আর বাড়তি ভাড়া ও রুট পরিবর্তনের ব্যাপারে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি। কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ঢাকা, ২৫ জুলাই, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ