সাত দিনের মধ্যে জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়ে হামলা বাবদ ক্ষতিপূরণের ১১ লাখ টাকা প্রদানসহ বিভিন্ন দাবি আদায়ে ১৮ নভেম্বর থেকে লাগাতার কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে রংপুর জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন।
জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্দেশে এ আলটিমেটাম দেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক এম এ মজিদ।
সংগঠনের অন্য দাবিগুলো হলো- নগরীর প্রায় ৯০টি পয়েন্টে সিটি কর্পোরেশন ও মোটর মালিক সমিতির ইন্ধনে অবৈধ টোল আদায় বন্ধ করা, শ্রমিকদের ওপর হামলা সংক্রান্ত মামলার আসামিদের গ্রেফতার করা, অভিজ্ঞ চালকদের পুনরায় লাইসেন্স দেওয়ার নামে হয়রানি বন্ধ করা এবং টার্মিনালের মসজিদটি জামায়াত-শিবিরের ঘাঁটি বলে চিহ্নিত করে এর খতিবকে গ্রেফতার করা।
নগরীর ৯৪টি স্পট থেকে নিয়মিত চাঁদা তোলা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, সিটি কর্পোরেশন ও মোটর মালিক সমিতির অনুগতরা চাঁদা আদায় করলেও দোষ হচ্ছে জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দের। অথচ টাকার অভাবে ঠিক মতো ইউনিয়ন অফিসের কর্মচারীদের বেতন এবং অফিস খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি জানান, মাত্র চারটি স্পট থেকে শ্রমিক ইউনিয়নের টাকা উত্তোলন করা হতো। কিন্তু বর্তমানে দুটি স্পট মোটর মালিক সমিতির দখলে। ৭ সেপ্টেম্বর জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয় মোটর মালিক সমিতির গুণ্ডা বাহিনী হামলা করে ভাঙচুর চালায়। এতে প্রায় ১১ লাখ টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়। কিন্তু ক্ষতিপূরণ আজও দেওয়া হয়নি।
তিনি নতুন করে লাইসেন্স করার নামে বয়স্ক ও অভিজ্ঞ চালকদের হয়রানি করা হচ্ছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন।
সংগঠনের সভাপতি তাজুল ইসলাম মুকুল ও কার্যকরী সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম রাজা প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
জেআই





