উত্তরাঞ্চলের বন্যার পানি নেমে আসার ফলে শরীয়তপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। অর্ধশতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। ২৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গতদের তালিকা করার কাজ চলছে।
কেদারপুর এলাকার ঈমাম হোসেন দেওয়ান জানান, উত্তরাঞ্চলের বন্যার পানি নেমে আসার ফলে শরীয়তপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পদ্মা নদীর পানি এক সপ্তাহ ধরে অব্যাহত বৃদ্ধির ফলে রবিবার সুরেশ্বর পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ইতোমধ্যে নড়িয়া উপজেলার ঘড়িষার, কেদারপুর, চরআত্রা নওয়াপাড়া, জাজিরা উপজেলার কুন্ডেরচর, বড়কান্দি, বিলাসপুর, মুলনা, পালেরচর, পূর্ব নাওডোবা, নাওডোবা, সেনের চর, বিকেনগর বড় গোপালপুর, জয়নগর, ভেদরগঞ্জ উপজেলার উত্তর তারাবুনিয়া, কাচিকাটা, দক্ষিণ তারাবুনিয়া ও গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর, কুচাইপটি ইউনিয়নের চরাঞ্চলের ৪০ গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বেশ কিছু বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। ৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।
নড়িয়া উপজেলার চর নড়িয়া মধ্যনশাসন, অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন তালুকদার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বানাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পোড়াগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মনিরাবাদ বাঘাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঠাকুরকান্দি রাজারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জমিরউদ্দিন মাদবরকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আন্দার মানিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বসাকের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জাজিরা উপজেলার চর রাগুটিয়া সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়, বড়কান্দি, উত্তর ডোবলদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, আকন কান্দি পালের চর হাট ফজলুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ নজুমদ্দিন বেপারী কান্দিসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লক্ষ্মীকান্তপুর ওয়াছ উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চেরাগ আলী বেপারী কান্দি রাহিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাইনপাড়া হাজি ওয়াছ উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ২৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
পদ্মানদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে চরাঞ্চলের বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে যাবে। খাবার পানি ও শুকনা খাবারের অভাব দেখা দিবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যাকবলিত এলাকায় দুর্গত মানুষের তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে।
ঢাকা, ৩১ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





