গেল দুই বছরে দেশি বিদেশী বিভিন্ন দাতা সংস্থার সহযোগিতায় চলছে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জীবন। রেশনিং এর মতো করে কোন কোন দাতা সংস্থা ১৫ দিন, কেউ আবার একমাসের জন্য দিচ্ছে চাল, ডাল, তেলসহ সব ধরনের নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী। দেয়া হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাসও। দাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে পাওয়া এসব ত্রাণ সামগ্রী প্রয়োজনের চেয়ে বেশি হওয়ায় তা নিয়ে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে রোহিঙ্গারা।
মিয়ানমার থেকে পালিয়ে কক্সবাজারের উখিয়া আর টেকনাফে আশ্রয় নেয়া প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে সহযোগিতা করতে সেখানে কাজ করছে প্রায় দেড়শ বেসরকারি সংস্থা। বসবাসের উপযোগী পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি এসব এনজিও দিচ্ছে নানা ধরনের সহযোগিতা।
এনজিও ফ্রেন্ডশীপ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আহমেদ তৌফিকুর রহমান বলেন, 'যেসব মানুষজন এখানে আছে তাদের থাকার, খাওয়ার জন্য বসতি এবং খাওয়াসহ অন্যান্য প্রয়োজন মেটাতে সরকারের পাশাপাশি এনজিও গুলো সাহায্য করে যাচ্ছে।'
কার্ড এর বিপরীতে রেশনিং এর মতো করে বেসরকারি সংস্থাগুলো নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর যোগান দিয়ে যাচ্ছে। দিচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাসও। তবে, দাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে পাওয়া এসব ত্রান সামগ্রী প্রয়োজনের চেয়ে বেশি হওয়ায় তা স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে রোহিঙ্গারা। এমন কাজের পেছনে তাদের যুক্তি হলো চাল ডালসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রি করে নগদ টাকা যোগার করছে তারা।
স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদী সংকট থেকে বাঁচতে রোহিঙ্গাদের উপর নজরদারি বাড়াতে হবে এখনই।
এসএম





