ভোলায় গত কয়েক দিনে শীতের আগমনী বার্তা জানান দিয়েছে। জেলার জনজীবনে এর বেশ প্রভাবও  লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

শীতের হাত থেকে নিজেদের বাঁচাতে তাই আগেভাগেই লেপ-তোষক তৈরির দোকানে ভিড় করছেন সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ। তবে কাপড়, তুলাসহ মজুরি বেড়ে যাওয়ায়, হিমশিম খেতে হচ্ছে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষকে। এরপরও থেমে নেই লেপ-তোষক তৈরির কাজ। সেকারণে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ভোলার ধুনকররা। বছরের এ একটিমাত্র মৌসুমে দুপয়সা বেশি রোজগারের আশায় দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, এবার কিছুটা আগে ভাগেই শীত মৌসুম চলে আসায় উপকূলবাসী একদিকে যেমন এর আমেজ উপভোগ করছে- পাশাপাশি, শীতের হাত থেকে বাঁচার জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় লেপ-তোষক তৈরিতেও  ব্যস্ত হয়ে উঠেছে। তবে, বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের সঙ্গে কাপড়, তুলাসহ এর উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়ায়,  হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।

ভোলা শহরের লেপ-তোষক ব্যবসায়ী মো. জসিম জানান, লেপের জন্য ব্যবহৃত শিমুল তুলার দাম গত বছরের চেয়ে এ বছর প্রতিকেজিতে বেড়ে গেছে ৩০ টাকা। অন্যদিকে, পোশাক কারখানার ঝুট দিয়ে তৈরি তুলাও প্রতিকেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গত বছরের তুলনায় গজপ্রতি ১০ টাকা বেড়ে গেছে শালু কাপড়ের দামও। জসিম আরো জানান, একইভাবে বেড়ে গেছে তোষক তৈরির সব উপকরণের দামও।

অন্য ব্যবসায়ী লাল মিয়া জানান, চলতি বছর ৪ বাই ৫ হাত একটি লেপের জন্য খরচ হচ্ছে  ১ হাজার ২৫০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা। একই মাপের একটি তোষক তৈরিতেও  খরচ হচ্ছে এ রকমই। যা গত বছরের তুলনায় দুই থেকে তিনশ টাকা বেশি।

জেআই