খুলনা রেঞ্জ ডিআইজিপি মনিরুজ্জামান বলেছেন, ‘যারা জঙ্গীবাদে বিশ্বাস করে, এ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করে তারা দেশের শত্রু। তারা হরতাল অবরোধ করে দেশের জনগণের জানমালের ক্ষতি করছে। এ অবস্থা চলতে পারে না। যারা ঢিল মেরে গাড়ি ভাঙচুর করছে তাদের হাত ভেঙে দেওয়া হবে।’
ডিআইজিপি মনিরুজ্জামান শনিবার সকালে খুলনা থেকে যশোরের উদ্দেশে রওনা দেন। পথে তিনি বসুন্দিয়ায় পথসভায় এ সব কথা বলেন। এ ছাড়া দুপুরে তিনি যশোর শহরের চাঁচড়া, মণিহার ও খাজুরা বাসস্ট্যান্ডেও একই ধরনের কর্মসূচি পালন করেন। কর্মসূচিতে পুলিশ-র্যা ব কর্মকর্তা ছাড়াও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতারা বক্তৃতা করেন। অবশ্য পুলিশের মুখপাত্র একে পথসভা নয় বরং শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে সচেতনামূলক মতবিনিময় সভা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
বিএনপি-জামায়াতসহ ২০ দলীয় জোটের অবরোধ কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যারা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড করছে তারা সন্ত্রাসী। এই সন্ত্রাসীরা জঙ্গীবাদের সঙ্গে যুক্ত। রেললাইনের স্লিপার উপড়ে যারা মানুষ হত্যা করছে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ব্যাপারে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান।
পথসভাগুলোতে অন্যদের মধ্যে র্যাষব-৬ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এনামুল আরিফ সুমন, অতিরিক্ত ডিআইজিপি দিদার আহমেদ, খুলনার পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম, যশোরের অতিরিক্তি পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হক, যশোর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইনামুল হক এবং আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রাজ্জাক, খায়রুজ্জামান রয়েল, যুবলীগ নেতা আজিজুর রহমান, শ্রমিকলীগ নেতা হারুনর রশিদ ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম রিয়াদ।
জেআই





