বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচারক কাজী গোলাম রসুল ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।
রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।
ইউনাইটেড হাসপাতালের গণসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান শারীরিক অসুস্থতার কারণে গোলাম রসুল ২৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। তাকে হাসপাতালের আইসিইউ-তে রাখা হয়।
এদিকে গোলাম রসুলের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকাল সোয়া ১১টার ইউনাইটেড হাসপাতালে যান। সেখানে তিনি গোলাম রসুলের পরিবারের শোকসন্তপ্ত সদস্যদের সমবেদনা জানান।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে৷ ইতিহাসের এ নির্মম হত্যার বিচারের পথ বন্ধ করতে ইনডেমনিটি আইন পাস করা হয়। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধু মেয়ে শেখ হাসিনা ইনডেমনিটি আইন বাতিল করেন। ওই বছরই বঙ্গবন্ধুর আবাসিক একান্ত সহকারী (পিএ) এএফএম মোহিতুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় মামলা করেন।
১৯৯৭ সালের ৫ জানুয়ারি এ মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়। ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ কাজী গোলাম রসুল ১৯ আসামির ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
এএইচ





