নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার উত্তর বিরামপুর গ্রামের কানু চন্দ্র তালুকদার হত্যা মামলায় দুজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আবদুল হামিদ সোমবার দুপুরে পৃথক মামলা দুটির রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মোহনগঞ্জের পাবই গ্রামের বকুল মিয়া ও বিরামপুর গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেন। এর মধ্যে বকুল মিয়া পলাতক।

একই আদালত জেলার কেন্দুয়া উপজেলা সদরের আরামবাগের বিমল পালকে অ্যাসিড দিয়ে ঝলসে দেওয়া মামলায় উপজেলার পীছাহাতী গ্রামের ইসলাম উদ্দিনকে (পলাতক) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার উত্তর বিরামপুর গ্রামের কানু চন্দ্র তালুকদারের মেয়ের সঙ্গে ২০০৭ সালে আসামি বকুল মিয়ার বিয়ে হয়। মেয়ের বিয়ে মেনে না নেওয়ায় কানু তালুকদারের সঙ্গে বকুল মিয়ার বিরোধ সৃষ্টি হয়।

এরই জের ধরে ২০০৮ সালের ১০ মে ভোরে বকুল মিয়া কয়েক সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে কুড়াল দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে কানু তালুকদারকে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে কাঞ্চন চন্দ্র তালুকদার বাদী হয়ে বকুল মিয়া, মো. আনোয়ার হোসেন, জেলার আটপাড়ার ইসলামপুর গ্রামের বাচ্চু ওরফে আবুনীর বিরুদ্ধে ওই দিন মোহনগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন।

পুলিশ তদন্ত শেষে ওই বছরের ৩১ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিচারক মো. আবদুল হামিদ আসামি বকুল মিয়া ও মো. আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন এবং অপর আসামি বাচ্চু ওরফে আবুনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার দায় থেকে খালাস দেন।


সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট মো. সাইফুল আলম প্রদীপ, আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন ও স্টেট ডিফেন্সের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট পূরবী কুন্ডু।

জেএ